রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হিসেবে যোগ দেন তিনি।
যোগদানের পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘চির উন্নত মম শির’ এবং ‘নজরুল ভাস্কর্যে’ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি ছাত্র, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে ছাত্র আন্দোলনে নিহত, আহত ও অংশগ্রহণকারীদের জন্য দোয়া করেন।
.png)
সংক্ষিপ্ত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, কবি নজরুলের পূণ্যভূমিতে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব নেয়াটা আমার জন্য সৌভাগ্যজনক এবং এই সৌভাগ্যটা তখনই সার্থকতা পাবে যখন আমি আমার কোনো তৎপরতা দিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ভালো কিছু করতে পারবো।
উপাচার্য হিসেবে তার কাজের ব্যাপারে তিনি বলেন, চেষ্টা করবো একটি নলেজ বেজড্ কমিউনিটি তৈরি করতে যেটি এই বৃহত্তর ময়মনসিংহসহ পুরো বাংলাদেশে ভূমিকা রাখবে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, দেশের বাইরেও তারা তাদের অবদান রাখবে। আমরা যারা জ্ঞান দেবো, আমাদের যেন উদ্দেশ্যই থাকে বাংলাদেশের মেরিটোরিয়াস শিক্ষার্থীদের এখানে আকর্ষণ করা। আপনাদের সবাইকে নিয়ে এই কাজটা আমি করে যেতে চাই। আশা করি আপনারা এই কাজে সবাই আমাকে সাহায্য করবেন।
যোগদান পরবর্তী উপাচার্যের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে উন্মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পৃথকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদের শিক্ষকদের সঙ্গে তিনি মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন।
প্রসঙ্গত, গত ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬–এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর পদে শর্তসাপেক্ষে নিয়োগ দেন।