মঙ্গলবার দুপুরে নিজ শিক্ষাঙ্গনে মিছিল-সমাবেশ করেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। এ সময় ‘আমরা কেন আদু ভাই, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘তুমি কে? আমি কে? আদু ভাই, আদু ভাই’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।
জানা যায়, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের স্নাতক এর ফলাফল এখনো প্রকাশ হয়নি। অথচ একই বর্ষের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা স্নাতক শেষ করে স্নাতকোত্তরে অধ্যয়নরত এবং অনেকেই চাকরি জীবনে পদার্পণ করেছেন। এছাড়াও ২০১৮-১৯ সেশনের ৭ম সেমিস্টারের ফলাফলও প্রকাশ হয়নি। আরো দেখা যায় ২০১৯-২০ সেশনের ৫ম সেমিস্টারের ফলাফল প্রকাশিত না হওয়ায় ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের পরীক্ষা এখনো শুরু হয়নি।
.png)
বিভাগের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, এ বিভাগে সেশনজটের কারণে চার বছরের স্নাতক শেষ করতে লেগে যায় ছয়-সাত বছর। আর এ সেশনজট হচ্ছে মূলত যথাসময়ে পরীক্ষা না হওয়া এবং ফলাফল প্রকাশে দেরি করার জন্য।
তালাবন্ধ প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের এক পর্যায়ে সেখানে উপস্থিত হন আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হুদা। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে উক্ত বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ে একটি সভার আয়োজন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হুদা বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ফল প্রকাশের জন্য আমরা অবিলম্বে উদ্যোগ নিয়েছি। বাকি সব দাবিও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পূরণ করা হবে।
২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. অমিত হাসান বলেন, বিভাগের সমস্ত ব্যাচ একটি তীব্র সেশনজটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে আমাদের ফলাফল এবং নতুন শিক্ষাবর্ষের রুটিনের জন্য রাস্তায় নামতে হচ্ছে। আমরা সব ধরনের অ্যাকাডেমিক অসুবিধা থেকে স্থায়ী সমাধান পেতে ১৫টি দাবি প্রস্তাব করেছি।
প্রসঙ্গত, সেশনজট থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত ক্লাস-পরীক্ষার জন্য ১৫ দফা দাবি নিয়ে আন্দোলন করছেন এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা।