জানা যায়, এই চক্রটি পুরাণ ঢাকা থেকে মালামাল নিয়ে যাওয়া বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের থেকে চাঁদা তুলছিলেন। এমব্রয়ডারি ডিজাইনের জন্য সুতা কিনে নিয়ে যাওয়ার সময় আব্দুর রহাম নামক এক ব্যক্তির কাছে চাঁদা দাবি করেন তারা। পরে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিষয়টি জানালে তারা ঐ চাঁদাবাজদের আটক করা হয়।
ভুক্তভোগী আব্দুর রহমান বলেন, আমার তেলঘাটের রহমান টাওয়ারের ছয় তলায় এমব্রয়ডারির দোকান। সুতা কিনে নিয়ে তেলঘাটের দিকে গেলে আমাকে একজন লোক বলেন, সুতা ঘাটে নিয়ে যেতে হলে টাকা দিতে হবে। পরে আমি ফেসবুকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রুপে এ বিষয়ে পোস্ট করি। ওনারা দলবধ হয়ে গিয়ে এদের ধরে আনে।
.png)
তিনি আরো বলেন, এরকম চাঁদাবাজরা জীবনটা অতিষ্ঠ করে তুলেছে আমাদের। চাঁদা না দিলে মাল নিতে দেয় না, ব্যবসা করতে দেয় না।
এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ওমর ফারুক বলেন, সদরঘাট, বাংলাবাজার, লক্ষ্মীবাজার ও তার আশেপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি ও ছিনতাই প্রতিরোধে আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তৎপর আছি। গতকালও আমরা তিন জনকে সেনাবাহিনীর হাতে সোপর্দ করেছি। আমরা শিক্ষার্থীরা নিজ হাতে আইন তুলে নিতে চাই না। আজও চাঁদাবাজির চেষ্টাকালে চারজনকে আটক করেছি। তাদেরকে আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে।