বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপাচার্য সাদেকা হালিম।
উপাচার্য সাদেকা হালিম বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষার্থী হতাহত হয়েছে, এমন সব শিক্ষার্থীদের তালিকা করার নির্দেশ দিয়েছি প্রক্টরকে। তালিকার মাধ্যমে হতাহত শিক্ষার্থীদের সাহায্য করা হবে।
.png)
তিনি বলেন, অনেক শিক্ষার্থী প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে চলে গেছে তাদের তালিকা পেলে আমরা যেকোনো সাহায্য করতে পারবো।
উপাচার্য সাদেকা হালিম আরো বলেন, গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকা পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্যে চারজনকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে, অনিক নামের একজন শিক্ষার্থীকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। তার খাদ্যনালিতে ফুটা হয়েছিল। তার আরো একটি অপারেশন হবে। তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমরা এরই মধ্যে তালিকা করা শুরু করেছি। ৮-৯ জন শিক্ষার্থীর আহত হওয়ার খোঁজ পেয়েছি। যাদের টাকার প্রয়োজন ছিল, দ্রুত টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা করেছি। আমাদের তালিকা করা চলমান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ১৭ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচজন শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হয়। এরপর বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষে আরো কয়েকজন শিক্ষার্থীর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এরমধ্যে আহসান হাবিব তামিম নামের গণিত বিভাগের প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থী মিরপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন।