শনিবার (২৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে আয়োজিত ৪১তম বার্ষিক সিনেট অধিবেশনে বাজেট উপস্থাপন কালে এসব তথ্য জানান কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রাশেদা আখতার।
.png)
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বরাদ্দ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে বেতন-ভাতা বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৮৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, সাধারণ আনুষঙ্গিক পণ্য ও সেবায় বরাদ্দ ৬৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা, পণ্য ও সেবা রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকা, পেনশন ও অবসর সুবিধা বাবদ রাখা হয়েছে ৩১ কোটি ৯০ লাখ টাকা।
এবার গবেষণা ও উদ্ভাবন বাবদ বরাদ্দ কিছুটা বেড়ে হয়েছে ৭ কোটি ২২ লাখ টাকা। তবে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে মাত্র ৪৫ লাখ টাকা। এছাড়া অন্যান্য ব্যয় বাবদ বরাদ্দ ৪ কোটি ২৩ লাখ টাকা, যন্ত্রপাতি খাতের ব্যয় বাবদ বরাদ্দ ৫ কোটি ১০ লাখ টাকা, যানবাহন ক্রয় বাবদ বরাদ্দ ১ কোটি ৯৩ লাখ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যয় বাবদ বরাদ্দ ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং অন্যান্য মূলধন জাতীয় ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।
বাজেট অধিবেশনে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রাশেদা আখতার বলেন, ‘চলতি অর্থবছরে আনুমানিক ১২ কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি হতে পারে। ইউজিসির নির্দেশনা অনুযায়ী সুষম বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। এরূপ আর্থিক চাপের মধ্যে বাজেট প্রণয়ন আক্ষরিক অর্থেই অসম্ভব। ঘাটতির পরিমাণ যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালানো কষ্টকর হয়ে যাবে।’