গত কিছুদিন ধরে এমন দৃশ্যের দেখা মিলেছে ক্যাম্পাস আঙিনায়। রোববার (১২ মে) রাতে পুরো ক্যাম্পাস কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে যায়। যা স্থায়ী হয় পরদিন সকাল পর্যন্ত।

.png)
বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ভাষা শহিদ আবদুস সালাম হল থেকে সামনের সড়কে কুয়াশাচ্ছন্ন থাকায় একটু দূরের কাউকে স্পষ্ট দেখা যায় না। এমন দৃশ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক, গোলচত্তর, চিরকুমার রোড, শান্তিনিকেতন, কাপল রোডসহ ক্যাম্পাসের সর্বত্র দেখা যায়।
হঠাৎ করে এই ভরা গ্রীষ্মে কুয়াশায় ছেয়ে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে নোবিপ্রবির পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান তুষার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এতদিন থিয়োরি আকারে থাকলেও এখন বাস্তব রূপ দেখা যাচ্ছে। বৃষ্টি হওয়ার কারণে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে যায়। নোয়াখালী অঞ্চল উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় দিনের বেলায় তাপমাত্রা বেশি এবং রাতের বেলায় তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারণে এবং আকাশে মেঘ না থাকায় জলীয় বাষ্পগুলো রাতের বেলায় কুয়াশা আকারে দেখা যায়। যদিও এটি কুয়াশার মতো, কিন্তু আসলে তা কুয়াশা নয়।