রোববার (৩১ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ফুলার রোডের ১৯ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলায় থেকে ঐ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত আদ্রিতা ঐ কোয়ার্টারে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাজিরুর রহমান।
.png)
আদ্রিতার পরিবারের দাবি, আদ্রিতা ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বর্তমানে মরদেহ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।
তবে কী কারণে ঐ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন, সে বিষয়ে পরিবার তেমন কিছুই জানাতে পারেনি। ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।
ঢাবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রক্টরের মাধ্যমে ভোর সাড়ে ৪টায় আমরা বিষয়টি জানতে পেরেছি। ভোরে নামাজ পড়তে বের হয়ে তিনি ভবনের ১১ এর 'ই' ফ্লোরে চিৎকার শুনতে পান। পরে তিনি সেখানে গিয়ে আদ্রিতা মোশাররফকে ঝুলন্ত অবস্থায় পান। পরে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।