ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

সেলফি পরিবহনের চাপায় নিহত রুবেলের পরিবার পেল ৮ লাখ টাকা

জাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:১৭, ১২ ডিসেম্বর ২০২৩
সেলফি পরিবহনের চাপায় নিহত রুবেলের পরিবার পেল ৮ লাখ টাকা
ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি সেলফি পরিবহনের চাপায় নিহত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক শিক্ষার্থী রুবেল পারভেজের পরিবারকে আট লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছে সেলফি পরিবহন। এছাড়াও সরকারের পক্ষ থেকে শিগগিরই আরো ৫ লাখ টাকা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

সোমবার রাতে পরিবহন কোম্পানির পক্ষে আট লাখ টাকা তুলে দেওয়া হয়। তবে সরকারের পক্ষ থেকে কবে নাগাদ বাকি পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সেলফি পরিবহন কর্তৃপক্ষ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল্লাহ হেল কাফিসহ কয়েকজন সোমবার ক্ষতিপূরণ নিয়ে আলোচনায় বসেন। পরে দীর্ঘ আলোচনা শেষে বাস কর্তৃপক্ষ থেকে আট লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হয়।

Advertisement

এদিকে, গত পাঁচদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে ক্ষতিপূরণের দাবিতে সেলফি পরিবহনের ১৫টি বাস আটকে রেখেছিলেন শিক্ষার্থীরা। ক্ষতিপূরণের টাকা নিয়ে সোমবার রাতে বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল্লাহ হেল কাফি বলেন, ‘সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) উপস্থিতিতে মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে আট লাখ টাকা নগদ ক্ষতিপূরণ নিয়ে বিষয়টি সমাধান হয়েছে। আর সরকারি ফান্ড থেকে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হবে। টাকা নিহত রুবেলের ভাই এবং শ্যালকের কাছে দেওয়া হয়েছে।’

সেলফি পরিবহনের ব্যবস্থাপক পরিচালক (এমডি) জালালউদ্দিন বলেন, ‘আমরা আলোচনা করে বিষয়টি সমাধান করেছি। নিহত রুবেলের বাচ্চার ভরণপোষণের দায়িত্বও নিয়েছি।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী রুবেল পারভেজ ৪১তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। গত বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাই থানা বাসস্ট্যান্ডে সেলফি পরিবহনের দুই বাসের রেষারেষিতে অপেক্ষারত বাস যাত্রীদের চাপা দেয়। এতে রুবেলসহ দুজন নিহত হন।

খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের একটি দল ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে চলাচলকারী সেলফি পরিবহনের অন্তত ২০টি বাস আটকে রাখেন। পরদিন শুক্রবার সকালে আরও পাঁচটিসহ মোট ২৫টি বাস আটক রাখা হয়। পরবর্তীতে ১০টি বাস ছেড়ে দেয়া হয়, ১৫টি বাস আটকে রাখা হয়। পরে ক্ষতিপূরণের দাবি নিয়ে সেলফি পরিবহন কর্তৃপক্ষ, বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কয়েক দফা আলোচনায় বসে। শেষ পর্যন্ত আলোচনা শেষে ৮ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের বিনিময়ে বাসগুলো ছেড়ে দেয়া হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
ট্যাগ: জাবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!