রোববার (১৯ নভেম্বর) সরকারি তিতুমীর কলেজের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সরকারি তিতুমীর কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. মহিউদ্দিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মো. কাজী ফয়জুর রহমান।
.png)
সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মাইমুন হোসাইন এবং সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহদাত হোসেন নিশাদ, দফতর সম্পাদক মামুনুর রসিদ ও কার্যনির্বাহী সদস্য আজাদ হোসেনসহ সাংবাদিক সমিতির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় শহিদ তিতুমীরের স্মৃতিচারণ নিয়ে আলোচনা করেন অথিতিবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, শহিদ তিতুমীর ভারতীয় উপমহাদেশের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব। যেখানে তিনি সর্বদা বাঙালির পক্ষে ইংরেজদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। শহিদ তিতুমীর ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ১৮৩১ সালের অক্টোবর মাসে নারকেলবাড়িয়ায় এক দুর্ভেদ্য বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। তিনি ব্রিটিশ শাসন ও তাদের অনুগত অত্যাচারী হিন্দু জমিদারদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং তার বিখ্যাত বাঁশের কেল্লার জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। এই কেল্লা তিনি প্রচলিত অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত করেন। কৃষক-প্রজাদের নিয়ে প্রচলিত ও সনাতন অস্ত্রে সজ্জিত এই বাহিনীকে সামরিক কায়দায় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এই বিরাট বাহিনী স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ও সংগ্রামী চেতনায় উদ্দীপ্ত হয়ে তিতুমীরের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা স্থাপন করে।
এসময় দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে শহিদ তিতুমীরের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।
উল্লেখ্য, ১৮৩১ সালের ১৪ নভেম্বর ইংরেজ বাহিনী বাশের কেল্লার উপর আক্রমণ চালায়। কামান ও আধুনিক অস্ত্র সজ্জিত ইংরেজ বাহিনীকে তিতুমীর তার স্থানীয় অস্ত্র দিয়ে প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়ে বাঁশের কেল্লায় আশ্রয় নেয়। ইংরেজরা কামানে গোলাবর্ষণ করে কেল্লা সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত করে দেয়। তিতুমীরের বিপুল সংখ্যক সৈনিক প্রাণ হারায়। ১৯ নভেম্বর ব্রিটিশ সৈন্যদের কাছে এই মহান নেতাসহ তার ৪০জন সহচর শহিদ হন।