_1699950814.jpg)
ফুলগুলো সব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন পাশে, সেন্ট্রাল লাইব্রেরি, অ্যাকাডেমিক ভবনগুলোর আশেপাশে, তিন আবাসিক হল, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদসহ রাস্তার দু’ধারে প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও রঙ্গন, ডালিয়া, গোলাপ, শিউলি, জবাসহ অন্তত ১০ প্রজাতির ফুল ফুটেছে। দূর থেকে দেখা যায়, ফুলের অপরূপ সৌন্দর্য। চোখ ধাঁধানো বর্ণিল ফুলেরা চারদিকে দ্যুতি ছড়াচ্ছে। আর ফুল থেকে ফুলে উড়ে বেড়াচ্ছে নানা রঙের প্রজাপতি।
.png)
_1699950987.jpg)
২০০৮ সালে উত্তরবঙ্গের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ৭৫ একর জায়গার ওপর যাত্রা শুরু করে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি)। মায়াবী এই বিদ্যাপীঠকে সবুজ পত্রপল্লব দিয়ে সারা বছর সাজিয়ে রাখে ফুল-ফল, ঔষধিসহ বিভিন্ন জাতের বাহারি সব গাছপালা। ক্যাম্পাসের সবুজায়ন ও সৌন্দর্য বর্ধনে প্রায় সময় নানাবিধ উদ্বেগ নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আবাসিক হলের ছাদ থেকে দেখলে মনে হবে যেন মাটিতে এক টুকরো ফুলের গালিচা বিছানো হয়েছে।
_1699950766.jpg)
প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে থাকা গাছগুলোতে ঝাঁকে ঝাঁকে, স্তবকে-স্তবকে ফুল ফুটে আছে। কোনোটা গোলাপি, কোনোটা শ্বেত, কোনোটা যেন রক্তমাখা, আবার কোনোটা হলুদ। এ ফুলের মধ্যেই কোথাও মৌমাছি, কোথাও ভ্রমর বাসা বেধেছে। বাতাসের সঙ্গে মনমাতানো ফুলের ঢেউ এবং সুরভিতে ছন্দময় হয়ে উঠেছে বেরোবির পরিবেশ। তার মধ্যে আবার বৃক্ষের সবুজ রঙের সমারোহ।
_1699951065.jpg)
ক্লাস-পরীক্ষার ব্যস্ততার মাঝে একটুখানি সময় পেলেই ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা ছুটে আসেন আবাসিক হল ও কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনের ফুলের বাগানে। চলে গান- গল্প- আড্ডা- খুনসুটি আর ছবি তোলার হিড়িক। ছুটির দিন কিংবা একটু অবসর সময় পেলেই বেরোবির অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে কালক্ষেপণ করেন ভার্সিটির আশেপাশের দর্শনার্থীরাও।
_1699950875.jpg)
রংপুর নগরীর মডার্ন মোড় থেকে ক্যাম্পাসে নিজের পরিবারকে নিয়ে আসা দর্শনার্থী লিয়াকত আলী জানান, পড়ালেখা করেছি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় খুব কাছে টানে। সরকারি চাকরির কারণে, তেমন অবসর পাই না। একটুখানি সময় হলেই পরিবার-পরিজনকে নিয়ে ছুটে আসি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ বৃক্ষ আর অপরূপ ফুলের দৃশ্য দেখে মন জুড়িয়ে যায়।’
_1699951169.jpg)
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলাম বলেন, বিকেলে যখন মন ভালো থাকে না, তখন এই ফুলের বাগানের এসে ফুলের ঘ্রাণ নিই। নানাবিধ ফুলের গাছ যোগ হওয়ার ফলে ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিচ্ছে বহুগুণ।
_1699950923.jpg)
বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিরঙ্গণ পরিচালক সহকারী অধ্যাপক সাব্বীর আহমেদ চৌধুরী ক্যাম্পাসের এই সৌন্দর্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য বিভিন্ন প্রজাতির শীতকালীন ফুল গাছ লাগানো হয়েছে। ক্যাম্পাসের সবুজায়ন ও সৌন্দর্য বর্ধনে নানা উদ্যোগ নেয়ার ফলে সেটির ফলাফল পেতে আরো বছর খানেক সময় লাগবে। ক্যাম্পাসের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে চলছে এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।
_1699951220.jpg)