বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গত সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে অধ্যাপক ইমদাদুল হকের ক্যান্সার ধরা পড়ে। উন্নত চিকিৎসা নিতে গত ১২ সেপ্টেম্বর তিনি সিঙ্গাপুরে যান। সেখানে তার রেডিও থেরাপি সম্পন্ন হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় তিনি গত ১২ অক্টোবর দেশে ফিরে আসেন। ফের অবস্থার অবনতি হলে তাকে বিআরবি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
.png)
অধ্যাপক ইমদাদুল হক একজন উদ্ভিদবিজ্ঞানী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম উপাচার্য। ২০২১ সালের ১ জুন চার বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য পদে নিয়োগ পান। বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের স্থলাভিষিক্ত হন তিনি। এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন পদে দায়িত্বরত ছিলেন।
অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হকের জন্ম পাবনায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১৯৭৮ সালে এমএসসি এবং ১৯৮৮ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি একাধিক পোস্ট ডক্টরাল গবেষণা সম্পন্ন করেছেন।
শনিবার ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
গত সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে ইমদাদুল হকের ক্যানসার ধরা পড়ে। উন্নত চিকিৎসা নিতে তিনি ১২ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে যান। সেখানে চিকিৎসা নিয়ে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় তিনি গত ১২ অক্টোবর দেশে ফেরেন।
২০২১ সালের ১ জুন ইমদাদুল হক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ পান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের স্থলাভিষিক্ত হন।
অধ্যাপক ইমদাদুল হকের জন্ম পাবনা জেলায়। তিনি একাধিক পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য। অধ্যাপনার পাশাপাশি তিনি ঢাবির জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সহসভাপতি ও সদস্য, বাংলাদেশ উদ্ভিদবিজ্ঞান সমিতির কোষাধ্যক্ষ ও সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফর প্ল্যান্ট টিস্যু কালচার অ্যান্ড বায়োটেকনোলজির সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়া তিনি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবেও ভূমিকা রেখেছেন। দেশ-বিদেশে বিভিন্ন জার্নালে তার ৮০টির বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া তিনি একাধিক বইয়ের সহসম্পাদক।