পিএসসি সূত্র জানিয়েছে, ৪১তম বিসিএসের নন-ক্যাডারের শূন্য পদের সংখ্যা জানতে তারা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছিল। দুই দফা সময় নিয়েও এখনো মন্ত্রণালয় শূন্য পদের সংখ্যা নির্দিষ্ট করতে পারেনি। তবে এখন পর্যন্ত যেসব শূন্য পদের তালিকা মন্ত্রণালয় পেয়েছে, তা সাড়ে তিন হাজারের বেশি।
পিএসসির নন-ক্যাডার পদে সুপারিশের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের ধারণা শেষ পর্যন্ত পৌনে চার হাজার শূন্য পদের তালিকা আসতে পারে। সেগুলোতে প্রার্থীদের নিয়োগের সুপারিশ করবে পিএসসি।
.png)
পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (নন-ক্যাডার) আবদুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জনপ্রশাসনে আমরা চিঠি দিয়েছিলাম। সেখানে বলা ছিল, ১০ অক্টোবরের মধ্যে শূন্য পদের সংখ্যা যেন তারা আমাদের জানান। তারা ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সময় চেয়েছিলেন। এখনো (৭ নভেম্বর) পর্যন্ত আমরা নন-ক্যাডারের শূন্য পদে মন্ত্রণালয়ের কোনো লিখিত তথ্য পাইনি।’
এদিকে, ৪১তম বিসিএসের প্রার্থীরা প্রায় ৩ বছর ১০ মাস পর চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েছেন। গত আগস্টে তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়। অন্যদিকে, নন-ক্যাডারে তালিকাভুক্ত হওয়া ৯ হাজার ৮২১ প্রার্থী এখনো ঝুলে আছেন। একটি বিসিএসের জন্য তাদের চার বছর অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা, করোনার সময়ে চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা না হওয়ায় চাকরি প্রার্থীরা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের অনেকের বয়সও শেষ। ফলে ৪১তম বিসিএসে নন-ক্যাডারে তালিকাভুক্ত প্রার্থীরা সর্বাধিক পদে নিয়োগের দাবি জানিয়ে আসছেন।
২০২১ সালের ১ আগস্ট ৪১তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। এতে ২১ হাজার ৫৬ প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। একই বছরের ২৯ নভেম্বর লিখিত পরীক্ষা হয়। ফল প্রকাশ করা হয় ২০২২ সালের ১০ নভেম্বর। এতে উত্তীর্ণ হন ১৩ হাজার প্রার্থী।