তালিকায় পুরো এক বছরের গবেষণা ও আরেকটি পেশাগত ভিত্তিতে সেরা গবেষক নির্ধারণ করা হয়। তালিকায় স্থান পেয়েছেন যবিপ্রবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার ইমরান খান, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান এবং পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল ইসলাম। এর মধ্যে ড. ইমরান খান ও ড. মো. আমিনুল ইসলাম পেশাগতের ভিত্তিতে নির্ধারিত গবেষক তালিকায়ও স্থান পেয়েছেন।
বিশ্বসেরা গবেষক তালিকায় স্থান পেয়ে ড. ইঞ্জিনিয়ার ইমরান খান বলেন, টানা চতুর্থবারের মতো যবিপ্রবি থেকে বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান অর্জন করতে পারাটা গর্বের বিষয়। এনার্জি ফিল্ড, এগ্রোফটোভোল্ট টাইপ, সাস্টেইনিবিলিটি, সোলার সিস্টেমসহ বেশকিছু বিষয়ে গবেষণা করেছি। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গবেষকদের নীতি নির্ধারণে কোন অন্তর্ভুক্তি নেই, ফলে গবেষকরা দেশের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে পারে না। গবেষকদের যদি অন্তর্ভুক্তি করা যায় তাহলে আমি মনে করি দেশের জন্য উপকার হবে এবং রিসোর্সের সঠিক প্রয়োগ হবে।
.png)
প্রসঙ্গত, এলসেভিয়ার প্রতিবছর প্রায় দুই হাজারের উপরে জার্নাল প্রকাশ করে। প্রকাশিত জার্নালে নিবন্ধের সংখ্যা আড়াই লাখের বেশি। এর আর্কাইভে ৭০ লাখের অধিক প্রকাশনা রয়েছে।