এ সময় বক্তারা বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিনের দাবি শাটলের বগি বৃদ্ধি। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে, কয়েক দফায় ভিসি ও প্রক্টর পরিবর্তন হলেও শাটলের বগিগুলোর কোনো পরিবর্তন নেই। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ৬ থেকে ৭ বছর ধরে আবাসিক হলেও কোনো সিট বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে না। দুটি হল তৈরি করা হলেও উদ্বোধনের কোনো খবর নেই। যা খুবই দুঃখজনক।
শিক্ষার্থী সুদীপ্ত চাকমা বলেন, ৭ তারিখে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিতে গেলে প্রশাসন আমাদের সঙ্গে ভালোমতো কথা পর্যন্ত বলেনি। উদ্ভূত সমস্যাগুলোর এখনো দৃশ্যমান কোনো সমাধান হয়নি। বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন চাকসু নির্বাচন না থাকায় প্রশাসন একতরফা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। ছাত্রদের অধিকার ক্ষুণ্ন করছে। আমরা চাই, চাকসু নির্বাচন দিয়ে ছাত্র প্রতিনিধি দেওয়া হোক। যতদিন সমাধান না পাওয়া যায় ততদিন আমরা রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাব।
.png)
প্রতিবাদ সমাবেশে লোক প্রশাসন বিভাগের ১৯-২০ সেশনের সুকি কুমার তন্চঙ্ঘা বলেন, গত ৭ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে কলঙ্কজনক ঘটনা ঘটে যাওয়ার পেছনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দায়ী। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি দীর্ঘদিন শিক্ষার্থীদের জানিয়ে আসা দাবিগুলো মেনে নিতেন, তাহলে এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ব্যাপারে কোনো মাথাব্যথা নেই। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই, অনতিবিলম্বে শাটল ট্রেনের বগি বৃদ্ধিসহ শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসন করা হোক।