সরেজমিনে দেখা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে প্রবেশের ডান পাশের ড্রেন পরিপূর্ণ হয়ে আছে পলিথিন, কাগজ, কাপড়ের টুকরো আর প্লাস্টিককে। তাছাড়া নতুন একাডেমিক ভবনের পাশ থেকে দ্বিতীয় গেইট ও ছাত্রী কমনরুমের পেছন পর্যন্ত ড্রেনের অবস্থা সবচেয়ে নাজুক। এখানেও বোতল, প্লাস্টিক সামগ্রী, জুসের গ্লাস আর পলিথিন স্তূপাকারে পড়ে আছে ড্রেনের উপরেই। এতে পানির প্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

.png)
ময়লা আর পানি একত্রে মিশে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। আর তাতেই উড়ছে মশা। ছাত্রী কমনরুমের পেছনের দিকে ময়লা পানিযুক্ত ড্রেনের দুই পাশেই উচ্ছিষ্ট জিনিসপত্র পড়ে আছে। যা দেখলে মনে হবে- যেন ময়লা ফেলার ভাগার।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মোশফিকুর রহমান ইমন বলেন, ডেঙ্গুর হার দিন দিন বেড়েই চলেছে। পুরান ঢাকার পরিবেশে এই আতঙ্ক সবচেয়ে বেশি। আমাদের সবার সচেতন থাকা জরুরি। কিন্তু আমাদের ক্যাম্পাসের ময়লার স্তূপ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার যে অবস্থা তাতে আমাদের চিন্তা আরো বেড়ে যাচ্ছে। এই পরিবেশে থেকে আমাদের সবসময় ডেঙ্গু আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে। আশা করছি প্রশাসন দ্রুত এটি সমাধানের পদক্ষেপ নেবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতা কমিটির আহ্বায়ক এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কাদের বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এরই মধ্যে নতুন ভবনের ছাদ পরিষ্কার করা হয়েছে। ডরমিটরি সামনের ড্রেন পরিষ্কার করা হয়েছে। বাকি ড্রেনগুলোও পরিষ্কার করা হবে পর্যায়ক্রমে।
পরিচ্ছন্নতা কমিটির সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (এস্টেট) মোহাম্মদ কামাল হোসেন সরকার বলেন, সিটি করপোরেশনের সহায়তায় ক্যাম্পাসে মশার লার্ভার ঔষধ দিচ্ছি এবং ধোঁয়া স্প্রে করা হয়েছে। এ ছাড়াও ক্যাম্পাস পরিষ্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।