শিক্ষার্থীরা বলছেন, শুক্র ও শনিবার একাডেমিক ক্লাস-পরীক্ষার চাপ না থাকায় নিরবচ্ছিন্নভাবে পড়াশোনা করার সুযোগ থাকে। কিন্তু সপ্তাহের ঐ দুদিন গ্রন্থাগার বন্ধ থাকায় সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
এছাড়া গ্রন্থাগারের সময়সীমা বৃদ্ধির দাবি শিক্ষার্থীদের। বর্তমানে লাইব্রেরি সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চালু থাকে। এই সময়সীমা বৃদ্ধি করে সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত গ্রন্থাগার চালু চায় শিক্ষার্থীরা।
.png)
বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মো. আল আমিন হোসেন বলেন ‘শুক্রবার জুম্মার দিন। সেদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত লাইব্রেরি খোলা থাকলে ভালো হয়। শনিবার যথারীতি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত খোলা থাকলে ভালো। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশে যারা আছে তারা রাত ৯টার পরও থাকেন। লাইব্রেরির করিডোরে বেঞ্চে বসে পড়েন। তাদের জন্য করিডোরে পর্যাপ্ত বেঞ্চ, সুপেয় পানির ব্যবস্থা এবং এই গরমে করিডোরে কয়টা সিলিং ফ্যানের ব্যবস্থা করলে ভালো হয়।
এ বিষয়ে লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমান বলেন, পড়ালেখার জন্য সুষ্ঠু পরিবেশের প্রয়োজন। যা আমরা অন্য কোথাও পাই না, লাইব্রেরির রিডিং রুমে পাই। সেক্ষেত্রে শুক্রবার ও শনিবার রিডিং রুম খোলা রাখলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় যেমন আগ্রহ বাড়বে, অন্যদিকে পড়াশোনার ধারাবাহিকতাও বজায় থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছুটির দিনে রিডিং রুম খোলার পদক্ষেপ নিলে, তা শিক্ষার্থীদের জন্য হবে যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিক সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রয় বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীবান্ধব, যাতে শিক্ষার্থীদের সুবিধা হয় আমরা সেই ব্যবস্থা নেব। বর্তমানে দুই শিফটে মোট ১২ঘণ্টা লাইব্রেরি চলে। শুক্র-শনিবার লাইব্রেরি খোলা রাখতে হলে আমাদের অতিরিক্ত জনবল দরকার পড়বে। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের থেকে লিখিত দাবি আসলে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে যথাযথ ব্যবস্থা নিব।