সোমবার (২৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টায় স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সামনে প্রেস ব্রিফ্রিংয়ে এসব তথ্য জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার।
উপাচার্য বলেন, আমরা এক সপ্তাহ ধরে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছি। সীমাবদ্ধতার মধ্যেও চেষ্টা করে চলেছি যেন ভোগান্তি কিছুটা হলেও লাঘব করা যায়। এখন পর্যন্ত প্রশ্ন ফাঁসের কোনো ধরনের গুজব তৈরি হয়নি। আমাদের সিস্টেমটা নিখুঁত, এখানে প্রশ্ন ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে মনে করবেন সেটা গুজব।
.png)
তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি ঠেকাতে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। জালিয়াতি রোধে কাজ করছে সাইবার ক্রাইম ইউনিট, চার শতাধিক সাদা পোশাকের গোয়েন্দা, চারজন ম্যাজিস্টেটসহ পুলিশ প্রশাসনসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এছাড়াও সন্দেহের তালিকায় ৩০ জনকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
বিভাগীয় শহরগুলোতে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত সিদ্ধান্ত একাডেমিক কমিটির ওপর নির্ভর করে। তাদের সিদ্ধান্তের আলোকেই বিভাগীয় পর্যায়ের সিদ্ধান্ত নিতে পারব। তবে চ্যান্সেলর মহোদয় একক পরীক্ষার কথা বলেছেন। সেটা যদি কার্যকর হয় তবে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকেই ভর্তি পরীক্ষা হবে আগামী বছর থেকে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আবদুস সালাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ওবাইদুর রহমান প্রামাণিক, প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সাউদ, জনসংযোগ দফতরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, এবারে কোটাসহ ৪ হাজার ৪৬৭টি আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষায় বসবে মোট ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ৫৯১ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পুরুষ আবেদনকারীর সংখ্যা ১ লক্ষ ৮৩৮টি এবং নারী আবেদনকারীর সংখ্যা ৭৭ হাজার ৭৫৩টি। এবার একক আবেদনকারীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৫ হাজার ৮১৬ টি। ৮০টি বহুনির্বাচনী প্রশ্নে ১০০ নম্বরের এই ভর্তি পরীক্ষা এক ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে। এতে চারটি ভুল উত্তরের জন্য ১ নম্বর কাটা হবে।