জানা যায়, সচরাচর বছর শুরুর প্রথম দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও ডায়েরি হাতে পাওয়ার কথা থাকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। ক্যালেন্ডার ও ডায়েরিতে বছরজুড়ে একাডেমিক পরিকল্পনা ও বন্ধের দিনগুলোর বিবরণী থাকে। কিন্তু প্রায় দুই মাস পেরিয়ে গেলেও শিক্ষার্থীরা মুখ দেখেনি এসবের।
এই বিষয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, যথাযথ সময়ে এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দিতে পারছে না। এতে আমরা কোনো পরিকল্পনা নিয়ে আগাচ্ছি এবং বন্ধের দিনগুলো জানতে পারছি না।
.png)
জানা গেছে, এখনও টেন্ডারে যায়নি ক্যালেন্ডার-ডায়েরি। আর টেন্ডার হওয়ার পরেও এসব শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছতে সময় লাগে কম করে হলেও আরো এক থেকে দুই মাস।
এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার কাবেরি মজুমদারের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, আমরা গেল ডিসেম্বরের ১৫ তারিখে একাডেমিক সভায় একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছি। দ্রুত ক্যালেন্ডার ও ডায়েরি প্রস্তুত করার কথা বলা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা কাজ করছেন। যতদূর জানি কাজ এখনও শেষ হয়নি।
এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকিউরমেন্ট বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ক্যালেন্ডার ও ডায়েরির এখনও টেন্ডার হয়নি। টেন্ডারে যেতে এবং টেন্ডার পাশ হতে বেশ কিছুদিন সময় লাগবে। এ বছর আমরা বড় ক্যালেন্ডার দিচ্ছি না, ছোট মিনি ক্যালেন্ডার পাবে শিক্ষার্থীরা।
তিনি আরো বলেন, টেন্ডারে গেলেই যে পাশ হবে এমনও না, তা বাতিলও হতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও ডায়েরির মতো মৌলিক বিষয়গুলো কেন বাতিল হতে পারে এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, বিভিন্ন কারণে বাতিল হতে পারে।
প্রসঙ্গত, গত বছরে এপ্রিল-মে মাসের দিকে একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও ডায়েরি হাতে পায় শিক্ষার্থীরা। এই বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের শেষ নেই।