ঢাবির ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা, প্রশ্নে হবে যেভাবে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১ অক্টোবর। এদিন বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে।
প্রশ্নপত্র যেমন হবে: ছয়টি বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে। এরমধ্যে চারটি বিষয়ে উত্তর করতে হবে। পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়নে সব পরীক্ষার্থীকেই উত্তর করতে হবে। যে সব শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক অথবা সমমানের পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও জীববিজ্ঞানে অধ্যয়ন করেছে তারা এ সব বিষয়ে পরীক্ষা দিবে। তবে কোনো পরীক্ষার্থী ইচ্ছা করলে শুধুমাত্র উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪র্থ বিষয়ের পরিবর্তে বাংলা অথবা ইংরেজি যেকোনো একটি বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে।
তবে A-Level পর্যায়ে অধ্যয়নকৃত পরীক্ষার্থী পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়নসহ অন্য (গণিত/জীববিজ্ঞান/বাংলা/ইংরেজি বিষয়ের
মধ্যে) যেকোনো দুটি বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে মোট চারটি বিষয় পূর্ণ করতে পারবে।
ভর্তি পরীক্ষার মান ও সময়বন্টন: এমসিকিউ এবং লিখিত পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি পরীক্ষার মোট নম্বর হবে ১০০। এরমধ্যে ৬০ নম্বর বহুনির্বাচনী পরীক্ষায়। লিখিত অংশে থাকবে ৪০ নম্বর। পরীক্ষা ৪৫ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষা ৪৫ মিনিটের হবে।
৬টি বিষয়ের প্রত্যেকটিতে ১৫ নম্বরের বহুনির্বাচনী ও ১০ নম্বরের লিখিত থাকবে। বহুনির্বাচনী পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে এবং তা বিষয়ভিত্তিক সমন্বয় করা হবে। লিখিত অংশে প্রতিটি বিষয়ে মোট নম্বর ১০। প্রতিটি প্রশ্নের মান ২ থেকে ৫ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের জিপিএর উপর থাকবে ২০ নম্বর। তাই ভর্তি পরীক্ষায় যারা ভালো করবে তারা ভর্তিযুদ্ধে এগিয়ে থাকবে। একজন প্রার্থী যে ৪টি বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর দিলে তার উপর নির্ভর করবে সে কোন বিভাগ/ ইনস্টিটিউটে ভর্তি হতে পারবে।
ভর্তি পরীক্ষার পাস নম্বর:
ভর্তি পরীক্ষার বহুনির্বাচনী অংশের পাস নম্বর ২৪। এমসিকিউ পরীক্ষায় ২৪ নম্বরে পেলে কেবল লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্রের মূল্যায়নের জন্য বিবেচিত হবে। এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে থেকে ‘ক’ ইউনিটের মোট আসনের কমপক্ষে ৫ গুণ লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে। লিখিত অংশের পরীক্ষায় পাস নম্বর ১২। তবে ১০০ নম্বরের মধ্যে এমসিকিউ এবং লিখিত পরীক্ষার মোট পাস নম্বর ৪০।
চান্স পেলে যে বিষয়ে পড়া যাবে:
‘ক’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণেদের জন্য থাকবে ১৮১০টি সিট বরাদ্দ রয়েছে। ‘ক’ ইউনিটের অধীন বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, ফার্মেসী, আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদ এবং পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউট, পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, তথ্য প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট, ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ইত্যাদি সম্পর্কিত বিষয়ে অধ্যয়ন করা যাবে।
এছাড়া স্নাতক (সম্মান) প্রোগ্রামে ফার্মেসি অনুষদে ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদী এবং অন্যান্য অনুষদ ও ইনস্টিটিউট-এ ৪ (চার) বছর মেয়াদী। মোট ৩২টি বিভাগ (ডিপার্টমেন্ট) থেকে নিজের পছন্দের সাবজেক্ট নিতে পারবে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী।