রাজধানীতে গতকাল মঙ্গলবার ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর আমদানি, মজুদ, সরবরাহ, মূল্য ও বাজার পরিস্থিতি’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
এফবিসিসিআইয়ের উদ্যোগে বনলতা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতি ও নিউ সুপার মার্কেট (উত্তর) ডি-ব্লক দোকান মালিক সমিতি যৌথভাবে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন নিউ সুপার মার্কেট (উত্তর) ডি-ব্লক দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আতিক উল্যাহ।
.png)
নিউ সুপার মার্কেট (উত্তর) ডি-ব্লক দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আতিক উল্যাহ খোকন বলেন, বড় কোম্পানিগুলো ঝালমুড়িও বিক্রি করে, হলুদ গুঁড়াও বিক্রি করে। আর আমাদের কাছে ব্যবসা নেই। ওষুধ থেকে চাল, ডাল সব তারা বিক্রি করেন। তাদের কিছু ব্যবসা কমিয়ে করতে বলেন। আমাদের মতো খুচরা ব্যবসায়ীদেরও একটু বাঁচতে দিতে বলেন। আমরা আর পারছি না।
এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো এসব পণ্য খুচরা পর্যায়ে বিক্রির কারণে দাম বেশি দিতে হচ্ছে। আবার ছোটদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। এখানে রাষ্ট্রীয় নীতি দরকার, কারা কোন পর্যায়ে ব্যবসা করবে। বড়রাও যদি ছোট আকারে বিক্রি করে, তাহলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কোথায় যাবে? এজন্য একটি নীতি থাকা দরকার। আমরা সরকারের কাছে এ ধরনের প্রস্তাব পাঠাব। এফবিসিসিআই থেকে এসব বিষয়ে কথা বলা হচ্ছে।
এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক হাফেজ হাজী হারুন অর রশীদ, শহিদুল হক মোল্লা, কাওসার আহমেদ, নিয়াজ আলী চিশতী, সৈয়দ মো. বখতিয়ার, হাজী মো. আবুল হাসেমসহ নিউ সুপার মার্কেট (উত্তর) ডি-ব্লক দোকান মালিক সমিতি ও বনলতা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।