শুক্রবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব কুল প্রদীপ চাকমার নেতৃত্বে একটি টিম রাজধানীর মহাখালী কাঁচাবাজারে যায়। সেখানে তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে টাঙানো তালিকার সঙ্গে চালের নমুনা মিলিয়ে দেখেন এবং সব নমুনা চালের মধ্যে নাম ও দাম সংবলিত কাগজ লাগানোর নির্দেশ দেন। এ সময় বেশকিছু দোকানে লাইসেন্স, মূল্যতালিকাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় প্রাথমিকভাবে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিক চালের দাম কেজিতে ২ টাকা লাভ রেখে বাকিটা কমানোর নির্দেশ দিয়ে বলেন, পাইকারি বাজারে কেনাদামের চেয়ে ২ টাকা বেশিতে চাল বিক্রি করা যাবে। এর বেশি বিক্রি করা অন্যায়।
.png)
এ প্রসঙ্গে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব কুল প্রদীপ চাকমা বলেন, কয়েকটি দোকানে নামভেদে চালের দাম কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকা বেশি নেয়া হচ্ছে। আবার যারা বস্তা কিনছেন তাদের থেকে ৩ থেকে ৪ টাকা বেশি রাখা হচ্ছে। সবমিলিয়ে চালের বাজারে অসামঞ্জস্যতা পাওয়া গেছে। আমরা ব্যবসায়ীদের নতুন করে চালের দাম লিখে দিতে বলেছি।
তিনি আরো বলেন, আমাদের আজকের মনিটরিং ছিল শুধুমাত্র সচেতন করার জন্য। এরপরও যদি তারা ঠিক না হয় তাহলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রচলিত আইনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।