বুধবার শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেন শুরু হতেই ডিএসইর প্রধান সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকায় লেনদেনের এক পর্যায়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ২৭ পয়েন্ট বেড়ে যায়।
প্রায় সবকটি বিমা কোম্পানির শেয়ার দাম কমার পরও ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১১৪ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৩৪৬ পয়েন্টে উঠে এসেছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ আগের দিনের তুলনায় ৭ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩৯০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৯ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৩৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
.png)
সবকটি মূল্যসূচক বাড়লেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। দিনভর বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৭৬০ কোটি ৮ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৮০০ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। সে হিসেবে লেনদেন কমেছে ৪০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।
টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে বিকন ফার্মার শেয়ার। দিনভর কোম্পানিটির ৪৬ কোটি ৪১ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ওরিয়ন ইনফিউশের ২৯ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ২৮ কোটি ৭৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে পাওয়ার গ্রিড।
এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- বিচ হ্যাচারি, সি পার্ল বিচ রিসোর্ট, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স।
অপর শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ৪৪ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেয়া ২০১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৫টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৬০টির এবং ৭৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৯ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।