ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ অর্থনীতি ]

কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী কাঁচাবাজার, সরবরাহ না থাকার অজুহাত

অর্থনীতি প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৩৮, ৫ মে ২০২৩
কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী কাঁচাবাজার, সরবরাহ না থাকার অজুহাত
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

শাক-সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় কাঁচাবাজারের দাম কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ না থাকার অজুহাতে বাড়তি দামেই এসব পণ্য বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। বেশি দামের কারণে প্রয়োজনের তুলনায় কম পণ্য কিনছে সবাই। সরবরাহ না থাকার অজুহাতে বাড়তি দামের প্রভাব পড়েছে মাছ-মাংস আর মসলাতেও।

শুক্রবার রাজধানীর খিলগাঁও রেলগেট বাজার, মেরাদিয়া হাট, মালিবাগ বাজার, গোড়ান বাজারসহ বিভিন্ন বাজার এবং ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) খুচরা বাজারদরের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কয়েকদিন আগে ১২০ টাকায় বিক্রি হওয়া খোলা চিনি বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকায়। ১৫ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়।

সবজির বাজারে অন্যান্য সবজির দাম আগের মতো থাকলেও মূল্যবৃদ্ধির তালিকায় আছে- পেপে, লাউ, করলা, উস্তা, লতি, বরবটি, ধুন্দুল, সজনে এবং কাঁকরোল। প্রতি কেজি সজনে বিক্রি হচ্ছে ১৬০-১৮০ টাকায়। এছাড়া বরবটি ৮০-১০০, পেপে ৬৫-৭০ টাকা, লতি, করলা, চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১০০-১২০ টাকা।

Advertisement

প্রতি কেজি পাকা টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া প্রতি পিস কাঁচা ৪০ এবং পাকা ৬০ টাকা, বড় আলু প্রতি কেজি ৩৫-৪০ টাকা, লেবু হালি ৩৫-৪০ টাকা ও সব ধরনের শাকের আটি বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকায়।

খিলগাঁও বাজারের সবজি বিক্রেতা ফজলে রাব্বি বলেন, আগের মতো সবজি পাওয়া যায় না। পাইকারি বেশি দামে বিক্রি করে, তাই খুচরা ব্যবসায়ীদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হয়। দাম বাড়ায় মানুষও সবজি কেনার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে।

বর্তমানে দেশি নতুন রসুনের দাম কেজিপ্রতি ১৩০-১৮০ টাকা, যা এক মাস আগেও ছিল মাত্র ৮০-১২০ টাকা। প্রতি কেজি দেশি আদা বিক্রি হচ্ছে ১৮০-২২০ টাকায় এবং চায়না আদা বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। প্রতি কেজি জিরা ৮০০-৯০০ টাকা, শুকনা মরিচ ইন্ডিয়ান ৪২০ টাকা, দেশি ৩৭০ টাকা, হলুদ গুড়া ২৫০ টাকা, গুড়া মরিচ ৪৫০ টাকা, ধনিয়া ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চাল ও ডালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি আঠাশ চাল ৫৫ টাকা, মিনিকেট ৭২, গুটি স্বর্ণা ৫০, নাজির শাইল ৮০ টাকা, পাইজাম ৫৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মশুর ডাল প্রতি কেজি ১২৫-১৩৫ টাকা এবং আমদানি করা ডাল ৯৫-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অ্যাঙ্কর ডাল প্রতি কেজি ৬৫ টাকা। মুগ ডাল প্রতি কেজি ১৩০ টাকা।

ব্রয়লার মুরগির দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। প্রতি কেজি ব্রয়লার ২৪০ টাকা, লাল মুরগি ৩৫০ টাকা, বড় সাইজের সোনালী এবং কক মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৩৬০ টাকায়। দেশি পাতি হাঁস প্রতিটি ৭০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস হাড়সহ ৭৫০-৮০০ টাকা, এক কেজি খাসির মাংস ১০০০-১১০০ টাকা।

আধাকেজি ওজনের বেশি ইলিশের দাম ৮০০-৯০০ টাকা। এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশের দর ১৬০০-২০০০ টাকা। এক কেজি ওজনের রুই মাছের দাম ৩৫০-৪৫০ টাকা। কাতল মাছ ৩০০-৪৫০ টাকা। কাঁচকি মাছ ৪৫০-৫০০ টাকা, ট্যাংরা ৬০০-৭০০ টাকা, আইড় মাছ ৭০০ টাকা, বাগদা চিংড়ি ৬০০-৭০০ টাকা, পাঙ্গাশ মাছ ১৮০-২২০ টাকা, সিলভার কাপ ২০০ টাকা, পোয়া ৪০০-৪৫০ টাকা।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!