শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি সপ্তাহে সোনার মূল্য ব্যাপক পড়েছে। সাপ্তাহিক ভিত্তিতে গত ২ মাসের মধ্যে যা সবচেয়ে বেশি দর পতন।
.png)
এদিন আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক সোনার স্পট মূল্য হ্রাস পেয়েছে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ। প্রতি আউন্সের দর স্থির হয়েছে ১৯৮৮ ডলার ২২ সেন্টে। আগের কার্যদিবসে (বৃহস্পতিবার) যা ছিল ১৯৯২ ডলার ২৩ সেন্ট।
যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক সোনার সরবরাহ মূল্য কমেছে ১ শতাংশ। আউন্সপ্রতি দাম নিষ্পত্তি হয়েছে ১৯৯৯ ডলার ৭০ সেন্টে। আগের কর্মদিবসে তা ছিল ২০০৪ ডলার।
সবমিলিয়ে এ সপ্তাহে সোনার দর নিম্নমুখী হয়েছে শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ। গত ফেব্রুয়ারির শেষদিকের পর যা সর্বোচ্চ নিম্নমুখী।
কিনেসিস মানির বাহ্যিক বিশ্লেষক কার্লো আলবার্তো ডি কাসা বলেন, আগামী মে মাসে আরেক দফায় সুদের হার বাড়াচ্ছে ফেড। ধারণা করা হয়েছিল, এর পর তা বাড়ানো বন্ধ করবে তারা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি-নির্ধারকদের সাম্প্রতিক তথ্যে ভিন্নতা দেখা গেছে। দীর্ঘ সময়ের জন্য সুদ হার বৃদ্ধির পথে হাঁটতে পারে তারা।
ফেডের আসন্ন বৈঠকে ২৫ বেসিস পয়েন্ট সুদের হার বাড়ানোর ৮৮ শতাংশ সম্ভাবনা আছে। তাতে চলতি সপ্তাহে ডলারের দাম বেশ ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। গত ৫ সপ্তাহের মধ্যে যা সর্বোচ্চ। ফলে অন্যান্য মুদ্রা ধারণকারীদের কাছে সোনা কেনা ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার ফেড কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্য মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশে নামিয়ে আনা। কিন্তু বর্তমানে সেটা যার অনেক ওপরে আছে। ফলে আগামীতেও সুদের হার বেড়ে যেতে হবে। এমনটি হলে সোনার দাম আরো কমবে।