ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ অর্থনীতি ]

ফলের বাজারে স্বস্তি দিচ্ছে তরমুজ, দাম আরো কমবে!

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬:২৯, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
ফলের বাজারে স্বস্তি দিচ্ছে তরমুজ, দাম আরো কমবে!
ফাইল ফটো

বাজারে গ্রীষ্মের ফল তরমুজের সরবরাহ বেড়েছে। তাই এক সপ্তাহের ব্যবধানে দামে মিলছে কিছুটা স্বস্তি। সামনে দাম আরো কমতে পারে বলেও আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে বাজারে বিদেশি ফলের দাম বেশ চড়া।

রোববার রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে জানা গেছে, জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে বাজারে আসতে শুরু করেছে তরমুজ। এখন বাজারে প্রচুর তরমুজ মিলছে। গত সপ্তাহে তরমুজ ছিল ৭০ টাকা কেজি। এখন সেটা ৬০ টাকায় নেমেছে। তরমুজের দাম আরো কমবে।

মিরপুর ১০ নম্বরের ফলের বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি কেজি আপেল কুল ১২০ টাকা, থাই কুল ১০০ টাকা, দেশি টক-মিষ্টি কুল ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা আমের দাম এখন একটু বেশি। এক পোয়া (২৫০ গ্রাম) আম বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। এক পোয়ায় একটা বা দুইটা আম হচ্ছে। বাজারে প্রতিপিস বেল ৫০ টাকা, চালতা ৪০ টাকা, আনারস ৪০-৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি কামরাঙা ও সফেদা ৮০ টাকা, পেয়ারা ৬০ টাকা, আমড়া ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Advertisement

রাজধানীর বেশ কয়েকজন ফল ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডলারের দাম বেশি। বিদেশ থেকে আনা ফলের দামও বেশি। তবে বাজারে পর্যাপ্ত ফল আছে। বাজারে যেহেতু তরমুজ উঠে গেছে, রোজায় প্রচুর তরমুজ বিক্রি হবে। তখন ফলের দাম আরো কমতে পারে।

এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ২০০ টাকার কমে বাজারে মিলছে না কোনো বিদেশি ফল। এমনকি সপ্তাহ ব্যবধানে এসব ফলের দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে ২০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে এখন ফুজি আপেল ২০০-২৪০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও প্রতি কেজি সবুজ আপেল ৩০০-৩২০ টাকা, মালটা ২০০-২২০ টাকা, নাশপাতি ৩২০ টাকা, ডালিম ৩৫০ টাকা, কালো আঙ্গুর ৩৫০ টাকা, সাদা আঙ্গুর ২৬০ টাকা, চায়না কমলা ২২০ টাকা, ইন্ডিয়ান কমলা ২৫০-২৬০ টাকা, ড্রাগন ফ্রুটস আকারভেদে ৩৫০- ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

গত সপ্তাহে স্ট্রবেরি ৫০০ টাকা কেজি ছিল। আজ সেগুলো বলছে ৬০০ টাকা। দোকানি বলছেন এগুলো আকারে বড়। অথচ গত সপ্তাহে এই স্ট্রবেরি ৫০০ টাকায় কিনেছি। একইভাবে আপেল, নাশপাতি, কমলার দামও বাড়তি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিদেশি ফলের দাম বাড়া-কমার মধ্যে রয়েছে। কখনো দাম কিছুটা কমলেও পরক্ষণে ফের বেড়ে যাচ্ছে। বাড়তি দাম শুনে অনেক ক্রেতা ফল না কিনেই ফিরে যাচ্ছেন। যারা কেনেন তারাও অল্প পরিমাণে কিনছেন। কারণ, এরই মধ্যে ফলের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডআর
ট্যাগ: বাজারদর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!