প্রণোদনা বিতরণে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে বাংলাদেশে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ঋণ/বিনিয়োগের সীমা ও মেয়াদের বিষয়ে সতর্ক করে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ। নির্দেশনাটি কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক/প্রধান নির্বাহীদের বরাবর পাঠানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় গ্রাহক পর্যায়ে প্রতিটি ঋণ/বিনিয়োগের মাধ্যমে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে গতিশীল ও পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব হবে। এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত অধিক সংখ্যক প্রতিষ্ঠানসমূহের অনুকূলে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল বাবদ ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে এ প্যাকেজের আওতায় সাধারণভাবে ঋণগ্রহীতা/গ্রাহক পর্যায়ে প্রতিটি ঋণ/বিনিয়োগের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ এক বছর।
ঋণ/বিনিয়োগের প্রাপ্যতার সমপরিমাণ অর্থ কোনো গ্রাহকের অনুকূলে এক বছরে প্রদান করা সম্ভব না হলে অবশিষ্ট প্রাপ্য অর্থ আলোচ্য প্যাকেজের অবশিষ্ট মেয়াদের মধ্যে ঋণ/বিনিয়োগ হিসেবে প্রদান করা যাবে। এছাড়া বিদ্যমান ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতা/গ্রাহক পর্যায়ে মোট ঋণ/বিনিয়োগের পরিমাণ কোনোভাবেই ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখ ভিত্তিক ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল বাবদ মঞ্জুরীকৃত/প্রদত্ত সীমার ৩০% এর বেশী হবে না। নতুন ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতার ক্ষেত্রেও বিদ্যমান নীতিমালার আওতায় ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল বাবদ ঋণ/বিনিয়োগের প্রাপ্যতা সীমার ৩০% এর অধিক হবে না।
এতে আরো বলা হয়েছে, ব্যাংক কর্তৃক কোনো ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতাকে যেভাবেই ঋণ/বিনিয়োগ প্রদান করা হোক না কেন (এককালীন অথবা প্যাকেজের মেয়াদে একাধিক বছরে প্রদত্ত হয়ে থাকলে) একজন গ্রাহকের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক মোট সীমার মধ্যে প্রদত্ত ঋণ/বিনিয়োগের উপর সুদ/মুনাফা ভর্তুকী প্রাপ্য হবেন।