কুয়েটে পাঁচ শিক্ষকসহ বরখাস্ত ৭
শৃঙ্খলা ভঙ্গ, ভুয়া অভিজ্ঞতার সনদ ব্যবহার করে চাকরি গ্রহণ, নিয়োগে বয়সসংক্রান্ত অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগে পাঁচ শিক্ষক ও দুই কর্মচারীকে বরখাস্ত করেছে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) কুয়েটের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমান ভূঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৫তম সিন্ডিকেট সভায় তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সাতজনকেই দীর্ঘদিন সাময়িক বরখাস্ত রাখা হয়েছিল।
বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকেরা হলেন—কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক ড. পিন্টু চন্দ্র শিল, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (আইইএম) বিভাগের অধ্যাপক ড. সুব্রত তালুকদার, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (ইএসই) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নিবিড় মণ্ডল এবং হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড বিজনেস বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসরুরা মোস্তফা ও সহকারী অধ্যাপক শাহরিয়ার রোমান।
বরখাস্ত হওয়া দুই কর্মচারী হলেন উপ-রেজিস্ট্রার নিমাই চন্দ্র মিস্ত্রী ও অফিস সহকারী সত্যজিৎ কুমার দত্ত।
রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, তদন্ত শেষে কয়েকজনের কাছে অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল। তাদের কেউ কেউ জবাব দিয়েছেন, আবার কেউ দেননি। পরে সিন্ডিকেট সর্বসম্মতিক্রমে পাঁচ শিক্ষক, একজন কর্মকর্তা ও একজন কর্মচারীকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, নিয়ম লঙ্ঘন ও নিয়োগসংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ তদন্তের পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।