ঢাকা,  সোমবার   ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

মনপুরায় পূর্বনির্ধারিত স্থানে ইউপি ভবন রাখার দাবিতে মানববন্ধন

মনপুরা (ভোলা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:১৫, ১২ অক্টোবর ২০২৬
মনপুরায় পূর্বনির্ধারিত স্থানে ইউপি ভবন রাখার দাবিতে মানববন্ধন
মনপুরায় পূর্বনির্ধারিত স্থানে ইউপি ভবন রাখার দাবিতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এলাকাবাসী। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ভোলার মনপুরা উপজেলার বিচ্ছিন্ন কলাতলী ইউনিয়ন পরিষদ ভবন পূর্বনির্ধারিত স্থান মনির হাওলাদার বাজার সংলগ্ন এলাকায় রাখার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, ইউনিয়নের তিনটি চরের মানুষের যাতায়াতের সুবিধা বিবেচনায় মনির বাজার এলাকাতেই ভবন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করতে হবে। তবে ইউনিয়ন পরিষদ, ভূমি অফিস, কমিউনিটি ক্লিনিক ও পুলিশ ফাঁড়ি নিয়ে সমন্বিত কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য বিকল্প জমি দেখেছে উপজেলা প্রশাসন।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মনির বাজার সংলগ্ন এলাকায় বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যেই ভবনটি সেখান থেকে সরিয়ে আবাসন বাজার সংলগ্ন এলাকায় নেওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পূর্বনির্ধারিত স্থানে ভবন নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেন ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ।

মানববন্ধনে স্থানীয়রা বলেন, কলাতলী, ঢালচর ও কাজিরচর- এই তিনটি চর নিয়ে গঠিত ৫ নম্বর কলাতলী ইউনিয়নটি মনপুরার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন। ইউনিয়নের বাসিন্দাদের বিভিন্ন সরকারি সেবা নিতে যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হয়। তাদের দাবি, মনির বাজার এলাকাটি তিনটি চরের মানুষের যাতায়াতের জন্য তুলনামূলক মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। সেখানে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ করা হলে সাধারণ মানুষের সেবা গ্রহণ সহজ হবে।

মোঃ গিয়াসউদ্দিন মেম্বার বলেন, মনির বাজার এলাকাটি কলাতলী, ঢালচর ও কাজিরচরের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী স্থান। সেখানে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ করা হলে তিনটি চরের মানুষই উপকৃত হবেন। তাই পূর্বনির্ধারিত স্থানেই ভবন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করার দাবি জানান তিনি।

মোঃ সোহাগ বলেন, মনির বাজার এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। এখন সেটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি সামনে আসায় স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন। তার দাবি, আবাসন বাজার সংলগ্ন প্রস্তাবিত স্থানটি নদীর খুব কাছে হওয়ায় সেখানে ভবন নির্মাণ করা হলে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে ভোগান্তি বাড়তে পারে। তাই জনসাধারণের সুবিধা বিবেচনায় মনির বাজার সংলগ্ন স্থানেই ভবন নির্মাণ করা উচিত।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবিব আব বলেন, আমরা ইউনিয়ন পরিষদ, ভূমি অফিস, কমিউনিটি ক্লিনিক ও পুলিশ ফাঁড়িসহ একটি কমপ্লেক্স নির্মাণ করতে চাচ্ছি। কিন্তু বর্তমানে যেখানে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের কাজ শুরু হয়েছে, সেখানে সব স্থাপনা একসঙ্গে নির্মাণ করতে গেলে প্রায় আট একর জমির প্রয়োজন হবে। তাই মনির বাজার এলাকায় সবকিছু একসঙ্গে নির্মাণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা নতুন করে আবাসন বাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি জমি দেখেছি, যেখানে সব স্থাপনা একসঙ্গে নির্মাণ করা সম্ভব। তবে মনির বাজার এলাকায় আট একর জমি পাওয়া গেলে সেখানেই কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ভোলা
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!