ঢাকা,  বুধবার   ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

কলাপাড়ায় হত্যা মামলার বাদীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:২৯, ৭ অক্টোবর ২০২৬
কলাপাড়ায় হত্যা মামলার বাদীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
কলাপাড়ায় হারিচ আহম্মেদ হত্যা মামলার বাদী বাবুল মিয়াকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে আসামিদের বিরুদ্ধে। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আলোচিত হারিচ আহম্মেদ হত্যা মামলার বাদী বাবুল মিয়াকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে। রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু সংলগ্ন টিয়াখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

বাবুল মিয়ার দাবি, মামলার হাজিরা দিতে কলাপাড়া আদালতে যাওয়ার পথে টিয়াখালী এলাকায় তাঁর পথরোধ করে কয়েকজন। এ সময় তাঁর সঙ্গে স্ত্রী থাকলেও তাঁকে অটোরিকশা থেকে টেনে নামিয়ে লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয়। স্ত্রীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা চলে যায়।

পরে স্থানীয়রা বাবুল মিয়াকে উদ্ধার করে কলাপাড়া ৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করেন। তাঁর অভিযোগ, সেখানেও একদল লোক তাঁকে খুঁজতে যায়। এতে প্রাণভয়ে কৌশলে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন তিনি।

এ ঘটনায় কলাপাড়া থানায় আটজনের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানান বাবুল মিয়া। পাশাপাশি জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়ে তিনি সাংবাদিকসহ বিভিন্নজনের কাছে সহযোগিতা চাইছেন। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ তাঁর।

বাবুল মিয়ার অভিযোগ, গত ১৯ জুলাই তাঁর বাবা হারিচ আহম্মেদকে মারধর ও কাদা-পানিতে চুবিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় তাঁর পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যকে নির্যাতন করা হয়। বাবার হত্যার বিচার চেয়ে তিনি ২১ জুলাই কলাপাড়া থানায় মামলা করেন। এরপর থেকেই মামলার আসামিরা তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করছেন বলে দাবি তাঁর।

তিনি বলেন, মামলা করার পর থেকে কলাপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে তাঁকে ডেকে নিয়ে মামলা তুলে আপস-মীমাংসার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ রোববার আদালতে হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। হামলার সময় হত্যা মামলার আসামি জসীম খন্দকারের নেতৃত্বে খলিলসহ কয়েকজন তাঁকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

বাবুল মিয়া আরও বলেন, মারধরের পর রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি আদালতের জিআরওর কাছে গেলে তাঁকে কলাপাড়া থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বাবুল মিয়ার স্ত্রী সীমা বেগম বলেন, হাসপাতালে নেওয়ার পরও একদল লোক তাঁর স্বামীকে খুঁজতে যায়। পরে প্রাণভয়ে কৌশলে তাঁকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যান তিনি। তাঁর দাবি, তাঁর স্বামীর জীবনের নিরাপত্তা নেই এবং যেকোনো সময় তাঁকে তাঁর শ্বশুরের মতো হত্যা করা হতে পারে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হত্যা মামলার আসামি জসীম খন্দকার। তিনি বলেন, ঘটনার দিন তিনি কৃষিকাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ বিষয়ে পুলিশের কাছেও প্রমাণ রয়েছে। ষড়যন্ত্র করে তাঁকে হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, হারিচ আহম্মেদের মৃত্যুর ঘটনায় তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন।

কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার দিন মৌখিক অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা মারামারির কোনো ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারেননি। বাবুল মিয়া চাইলে আদালতে মামলা করতে পারেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কলাপাড়া/এমকে
eMythMakers
Transform Your Digital Presence
Enterprise-grade IT & Web Solutions
Our Expertise
Custom Web Dev News Portals Mobile Apps SEO & Marketing
Ready to Scale Up?
Partner with industry experts today.
Get Started Now
eMythMakers
Transform Your Digital Presence
Enterprise-grade IT & Web Solutions
Our Expertise
Custom Web Dev News Portals Mobile Apps SEO & Marketing
Ready to Scale Up?
Partner with industry experts today.
Get Started Now
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!