বুধবার সকালে উপজেলার কৃষ্ণনগর আশরাফুল উলুম হাফিজিয়া মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষক মুফতি ইব্রাহিম বিন মুজিবকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
মারধরের শিকার আব্দুল্লাহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের রুমান মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত শিক্ষক মুফতি ইব্রাহিম বিন মুজিব সম্পর্কে ওই শিক্ষার্থীর খালু।
.png)
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষক ইব্রাহিমকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। আহত শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও নিন্দা জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে আব্দুল্লাহকে কৃষ্ণনগর আশরাফুল উলুম হাফিজিয়া মাদরাসায় ভর্তি করে তার পরিবার। ভর্তির পর থেকেই সে মাঝেমধ্যে কাউকে না জানিয়ে মাদরাসা থেকে বাড়িতে চলে যেত। গত বৃহস্পতিবারও সে মাদরাসা থেকে বাড়িতে চলে যায়।
পরে আব্দুল্লাহর মা আফরোজা বেগম মাদরাসার শিক্ষক মুফতি ইব্রাহিম বিন মুজিবকে বাড়িতে ডেকে ছেলেকে মাদরাসায় নিয়ে যেতে বলেন। বুধবার সকালে ওই শিক্ষক আব্দুল্লাহকে মাদরাসায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
ঘটনার সময় স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে মাদরাসায় গিয়ে আহত আব্দুল্লাহকে উদ্ধার করেন। একই সঙ্গে তাঁরা অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
নবীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজীব কান্তি নাথ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই শিক্ষককে উত্তেজিত জনতার কাছ থেকে হেফাজতে নেয়। শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।