‘জামায়াতের রুকনদেরকে জান-মালের কোরবানি পেশ করতে হবে’
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল আব্দুল হালিম বলেছেন, যুগে যুগে শীর্ষ ইসলামী আন্দোলনের নেতারা যেভাবে জান ও মালের ত্যাগ ও কোরবানির নজরানা পেশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন তার কাঙ্খিত মানে পৌঁছাতে হলে জামায়াতের রুকনদেরকেও সেভাবে জান ও মালের ত্যাগ ও কোরবানির নজরানা পেশ করেতে হবে।
শনিবার সকালে মাগুরায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে দরিমাগুরাস্থ আল আমিন কমপ্লেক্সে দিনব্যাপী রুকন শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল আব্দুল হালিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের অন্যতম সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হুসাইন।
মাগুরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর অধ্যাপক সাইদ আহমেদ বাচ্চুর সভাপতিত্বে ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী অধ্যাপক মাওলানা মশিউর রহমান সঞ্চালনায় এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের সহকারী পরিচালক ড. আবু সাদিক, কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও যশোর কুষ্টিয়া অঞ্চলের টিম সদস্য খোন্দকার আলী মুহসিন, মাগুরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর, কেন্দ্রীয় মজলিসের শুরা সদস্য ও যশোর কুষ্টিয়া অঞ্চলের টিম সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল মতিনসহ জেলা ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন স্তরের নেতারা।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল আব্দুল হালিম আরো বলেন, প্রয়োজনে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন কায়েমের জন্য নিজের জান আল্লাহর রাস্তায় বিলিয়ে দিতে হবে। প্রতিটি পাড়ায় পাড়ায় মহল্লায় মহল্লায় জামায়াতের ইউনিট গড়ে তুলতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও যশোর কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হুসাইন বলেন, সংগঠনকে সুসংগঠিত ও যুগোপযোগী করতে হলে রুকনদেরকে সংগঠনের প্রতি আরো অনুগত হতে হবে, প্রয়োজনে দায়িত্বশীলদের সু-পরামর্শ দিতে হবে। সেই সঙ্গে বিশেষ প্রয়োজনে দায়িত্বশীল ও পারস্পরিক এহতেসাব করতে হবে।
শিক্ষা শিবিরে জেলার প্রায় ৪ শতাধিক রুকন উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।