খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চলতি মাসের ২৫ তারিখ পর্যন্ত পেঁয়াজের বাজার ছিল নিম্নমুখী। এ সময় পাইকারি বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে। পরে প্রতিদিন কেজিতে ৩ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে শনিবার এবং রোববার সকাল পর্যন্ত কেজিপ্রতি দাম বেড়ে পাইকারি বাজারে ৪৩ থেকে ৪৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ।
রােববার সকাল দশটার দিকে উপজেলার তারাগুনিয়ায় বড় পাইকারি সবজি বাজারে সরেজমিনে দেখা যায়, চাষিদের কাছ থেকে ৪৫-৪৬ টাকা দরে কেনা হচ্ছে নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ।
.png)
বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী শাহ আলমের কাছে পেঁয়াজের বাজার দর জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২৫ তারিখের পর থেকে বাজারে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েক দফায়। আজ আমরা ৪৬ টাকা দরে চাষিদের পেঁয়াজ কিনেছি। তবে আমদানির ওপর নির্ভর করবে বাজার দর।
তবে বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়লেও দুশ্চিন্তা কাটেনি চাষিদের। তারা বলছেন, আর কিছুটা দাম বেড়ে বাজার দর স্থিতিশীল হলে ভালো হয়। দর উঠানামা করলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
আলী হোসেন নামে এক পেঁয়াজ চাষি বলেন, বর্তমান যা বাজার; এই দামে পেঁয়াজ বিক্রি করলে শুধু খরচ তোলা সম্ভব। তবে কোনো লাভ হবে না।
দবীর উদ্দীন নামে আরেক চাষি বলেন, এবার বিঘাপ্রতি ১ লাখ ২০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে। পেঁয়াজ চাষে ভালো দাম না পেলে আমরা ক্ষতির মুখে পড়ব। তবে শুরুর তুলনায় দাম বেড়েছে এখন। ৪৫-৪৬ টাকা দরে কেনা হচ্ছে নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ।
দৌলতপুর উপজেলা কৃষি অফিসের দেওয়া তথ্যমতে, এবার উপজেলায় ৩ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে মুড়িকাটা পেঁয়াজ।