ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ফেরি চলাচল বন্ধ, যানবাহনের দীর্ঘ সারি

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০:৫০, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪
ফেরি চলাচল বন্ধ, যানবাহনের দীর্ঘ সারি
পাটুরিয়া ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় আটকে আছে শতাধিক গাড়ি

ঘন কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘ সময় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় পাটুরিয়া ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় আটকে পড়েছে আড়াই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক, ও অর্ধশতাধিক বাস ও ব্যক্তিগত গাড়ি। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও যাত্রীরা।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে থেকে কুয়াশার ঘনত্ব বাড়তে থাকায় নৌপথে ঝুঁকি এড়াতে রাত ৩টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার সন্ধ্যার পর থেকেই নদীতে কুয়াশার তীব্রতা বাড়তে থাকে। কুয়াশার কারণে চ্যানেলের মার্কিং পয়েন্ট অস্পষ্ট হয়ে গেলে রাত ৩টা ১০ মিনিটের দিকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল সাময়িক বন্ধ রাখা হয়। আর এই নৌপথে দুটি ফেরি মাঝ নদীতে আটকে যায়।

Advertisement

ভুক্তভোগী ট্রাকচালক আব্দুল মালেক বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে ঘাটে আটকে আছি। পণ্য সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। খাবার-পানি নিয়েও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

আরেক চালক মনির হোসেন বলেন, ফেরি চালু হওয়ার অপেক্ষায় আছি। গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ রাখতে হচ্ছে, তাতে প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় বসে থাকা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে।

ঢাকা থেকে রাজশাহী যাচ্ছেন যাত্রী সোহেল মিয়া। তিনি বলেন, সকাল ৭টা থেকে ঘাটে অপেক্ষা করছি। কুয়াশার কারণে ফেরি বন্ধ জানার পরও গাড়ির মধ্যে বসে থাকতে হচ্ছে। প্রচণ্ড ঠান্ডায় বাচ্চারা কষ্ট পাচ্ছে।

ট্রাকচালক আনিসুর রহমান বলেন, আমার গাড়িতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য রয়েছে। দীর্ঘসময় ধরে ঘাটে আটকে আছি। গাড়ির যানজটও বেশ।

বাসযাত্রী শিরিন আক্তার বলেন, বাচ্চা নিয়ে ঘাটে আটকে আছি। ঠান্ডার কারণে খুব কষ্ট হচ্ছে। টিকিট কেটে অপেক্ষা করছি, কিন্তু ফেরি কবে চালু হবে জানি না।

পরিবহন শ্রমিক রাসেল হোসেন জানান, আমরা ঘাটে অপেক্ষা করছি, গাড়ি ছেড়ে যেতে পারছি না। খুব কষ্ট হয়। এখানে একটি সেতু করলে ভালো হতো।

বিআইডব্লিউটিসির উপ-মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) নাসির মোহাম্মদ চৌধুরী জানান, দুর্ঘটনা এড়াতে  নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। কুয়াশার তীব্রতা কমে গেলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হলে সিরিয়াল অনুযায়ী অপেক্ষারত যানবাহনগুলোকে পাড় করা হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!