জানাজা শেষে বুধবার দুপুরে গ্রামের বাড়ি লোহাগাড়ায় নিয়ে যাওয়া হয় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের মরদেহ। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিলেন লোকজন।
দুপুর ২টার দিকে মরদেহটি লোহাগাড়া সদরের কর্নেল (অব.) অলি আহমদ স্টেডিয়ামে পৌঁছালে নেমে আসে শোকের ছায়া। লাখো মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় সিক্ত হন আলিফ।
.png)
দুপুর আড়াইটায় সেখানে আলিফের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন বটতলী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মওলানা ড. মাহমুদুল হক ওসমানী। পরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় তার বাড়ি উপজেলার চুনতি এলাকায়।
আলিফের বাড়িতেও দেখা মেলে হৃদয় বিদারক দৃশ্যের। আহাজারি করতে থাকেন স্বজনরা। কাঁদতে কাঁদতে বারংবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন বাবা জামাল উদ্দিন, মা হোসনে আরা বেগম ও স্ত্রী ইসরাত জাহান তারিন।
বিকেল পৌনে ৫টায় ঐ এলাকার ফারাঙ্গা পশ্চিম কূল হযরত আব্দুল লতিফ শাহ’র (রা.) মাজার মাঠ প্রাঙ্গণে সর্বশেষ জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে আলিফকে দাফন করা হয়।
মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের লালদীঘি এলাকায় ইসকন সমর্থকদের হামলায় নিহত হন তরুণ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ। তিনি ২০১৮ সালে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হন। পরে হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধন পান। সম্প্রতি চট্টগ্রাম আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পান। সাত ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন চতুর্থ।
বুধবার সকালে চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে আলিফের প্রথম ও জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন।