রোববার (১৭ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে কারখানা অভ্যন্তরে কর্মবিরতি পালন অব্যাহত রাখেন তারা।
জানা যায়, শনিবার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ওই কারখানার ৪৩৯ জন শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে কর্মবিরতি শুরু করেন শ্রমিকরা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ফ্যাক্টরি কর্তৃপক্ষ চারটি ফ্লোরের প্রত্যেক ফ্লোর থেকে পাঁচজন শ্রমিক প্রতিনিধি নিয়ে সমস্যা সমাধানে আলোচনা সভার আয়োজন করে। সভায় ৪র্থ তলার পিএম- রবিউল ইসলাম শ্রমিকদের অংশগ্রহণ করতে না দিতে চাওয়ায় অন্যান্য ফ্লোরের শ্রমিক প্রতিনিধিরা ওই পিএমকে মারধর করেন।
.png)
এ ঘটনায় ৪র্থ তলার শ্রমিকদের সঙ্গে অন্যান্য ফ্লোরের শ্রমিক প্রতিনিধিদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে । সংঘর্ষে নুর হোসেন, সোহাগ মিয়া, ওমর ফারুক, হোসেন আলী, মেহেদী হাসান ও রবিউল হাসান নামে ছয়জন শ্রমিক আহত হন। আহত শ্রমিকদের চিকিৎসার জন্য গাজীপুরে শহীদ সৈয়দ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষের কারণে কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক কারখানা ছুটি ঘোষণা করলেও রাতে বাসায় না গিয়ে প্রবেশ গেটের সামনে অবস্থান করেন শ্রমিকরা।
এদিকে, রাত ৮টায় নাইট-শিফটের শ্রমিকরা যথারীতি ফ্যাক্টরি অভ্যন্তরে প্রবেশ করে উৎপাদন কাজ শুরু করলে ডে-শিফটের শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে নাইট শিফটের শ্রমিকদের ফ্যাক্টরি থেকে বের করে দেন। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ছাঁটাই আদেশ প্রত্যাহার করলে রাত ৯টায় নাইট -ডে উভয় শিফটের শ্রমিকরা বাসায় চলে যায়। কিন্তু আজ সকালে শ্রমিকরা কর্মস্থলে এসে শ্রমিক সংঘর্ষের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেন।
অপরদিকে, ওই সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের শ্রমিকরা দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়েছে। একটি পক্ষ পিএমকে মারধরের ঘটনার সঙ্গে এবং অপরপক্ষ শ্রমিকদের মারধরের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার দাবি করে কর্মবিরতি পালন করেন।