রোববার (১০ নভেম্বর) রাত ১১টায় এ বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মিছিল শেষে দড়াটানা চত্বরে অনুষ্ঠিত পথসভায় বক্তৃতাকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক রাশেদ খান অবিলম্বে শেখ বশির উদ্দীনের নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়ে বলেন, শেখ বশিরউদ্দীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান বিরোধী তৎপরতায় সরাসরি জড়িত ছিলেন। ছাত্র-জনতার ওপর হত্যা-নিপীড়নের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ঢাকায় মামলাও হয়েছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের এই দোসরকে আইনের আওতায় আনার পরিবর্তে উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়ার ঘটনা আমাদের হতবাক করেছে। এটা শহিদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানী ছাড়া আর কিছু নয়।
.png)
তিনি বলেন, রক্তের বিনিময়ে ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারের হাত থেকে মুক্তি পায় জনগণ। আন্দোলনে ছাত্র হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে উপদেষ্টা হিসেবে মেনে নেবে না তারা।
সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন, সমন্বক সুকর্ণ মারুফ, নূর ইসলাম, এস কে সুজন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, রোববার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে নতুন তিন উপদেষ্টার শপথ অনুষ্ঠান শেষ হলে শেখ বশির উদ্দীনকে উপদেষ্টা করায় বিভিন্ন স্থানে শুরু হয় বিক্ষোভ। শেখ বশিরউদ্দীনের আরেক ভাই শেখ আফিল উদ্দিন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের চার মেয়াদে যশোর-১ (শার্শা) আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।