অভিযান দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় করেছিল এবং ভয়ে অনেক ব্যবসায়ী দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যান বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়া জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক সুচন্দন মণ্ডল।
বুধবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উপজেলার পান্টি ও বাঁশগ্রাম বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
.png)
অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে সততা পান্টি তোজাম হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের মালিক তোজাম্মেল হককে ৫ হাজার টাকা, ফারুক ফার্মেসির মালিক মো. ফারুককে ৮ হাজার টাকা, ডক্টরস কর্ণারের পল্লী চিকিৎসক আব্দুল কাদের জাপানকে ৫ হাজার টাকা ও বাঁশগ্রাম বাজারের মেসার্স নাসির ট্রেডার্সের মালিক মো. নাসিরকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ ও পচা-বাসি খাবার ধ্বংস করা হয়।
এদিকে বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ও টাস্কফোর্সের অভিযান দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় করে। জরিমানা ও শাস্তির ভয়ে তাসিন ফার্মেসি, মদিনা চাল ভাণ্ডার, শচীন মিষ্টান্ন ও দুধি ভাণ্ডারসহ প্রায় শতাধিক অসাধু ব্যবসায়ী দোকানে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান।
গার্মেন্টস ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন বলেন, অনেকের দেখাদেখি আমিও এসেছি। দেখলাম হোটেলে পচাবাসি খাবার ও তেলাপোকা। ফার্মেসির ওষুধের মেয়াদ নেই। তার ভাষ্য, সব অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে শাস্তি দিতে হবে।