বুধবার সকালে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তোফাজ্জল হোসেনের মৃত্যু হয়।
তোফাজ্জল ঐ ফিলিং স্টেশনের ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন বলে জানান স্বজনরা। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে আরো তিনজন। নিহতরা হলেন মো. হিমেল, আব্দুল কুদ্দুস ও আবুল হোসেন। আগুনে দগ্ধ বাকিদের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। তাদের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছে চিকিৎসকেরা।
.png)
গুরুতর দগ্ধরা হলেন স্থানীয় খাবার হোটেল ব্যবসায়ী কামরুল হাসানও তার স্ত্রী সুমি আক্তার এবং চায়ের দোকানদার আব্দুল মালেক।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির আবাসিক চিকিৎসক ডা. তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সোমবার রাতের দিকে ময়মনসিংহ থেকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় নারীসহ ৫ জনকে আনা হয়েছিল। এর মধ্যে বুধবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তোফাজ্জল হোসেন নামে ৯৮ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
তিনি আরো জানান, দগ্ধ কামরুল হাসান ১০০ শতাংশ, সুমি আক্তার ৩২ শতাংশ ও আব্দুল মালেককে ৫০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে জরুরি বিভাগের চিকিৎসা শেষে ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রেফার করা হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সোমবার বেলা সোয়া ২টার দিকে ময়মনসিংহ সদরের আজাহার ফিলিং স্টেশনে আগুন লাগে। দগ্ধদের প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।