বুধবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের দক্ষিণ শাহমীরপুর গ্রামের সুন্দরী পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আকবর ঐ এলাকার বাসিন্দা। তিনি পেশায় ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি ছিলেন।
আকবরের মা জোহরা খাতুন বলেন, পাড়া প্রতিবেশীর চিৎকার শুনে ঘর থেকে বের হয় আকবর। তার পেছন পেছন আমি ও তার স্ত্রী মিনু আকতার বের হই। ঘরের উঠানেই হাতির সামনে পড়ে যায় আকবর। সঙ্গে সঙ্গে দৌড় দিতে চেষ্টা করে সে। কিন্তু উঠানে রাখা জালে পেঁচিয়ে পড়ে যায় সে। হাতিটি সেখানে গিয়ে প্রথমে তাকে পায়ে পিষ্ট করে এরপর শুঁড়ে তুলে আছাড় মারে। আমাদের চোখের সামনেই ছেলেটি মারা গেল।
.png)
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে দেয়াঙ পাহাড় থেকে একটি হাতি এলাকায় নেমে আসে। ঐ সময় এলাকার দুই বাসিন্দার ঘরে হামলা চালায় হাতিটি। এরপর একটি খামারের ৫০-৬০টি কলাগাছ উপড়ে ফেলে। ভোর ৪টার দিকে একটি মুদিদোকান ভেঙে দুই বস্তা চাল ছিটিয়ে দেয়। এরপর দোকানের পেছনে আকবরের বাড়ির উঠোনে গেলে সেখানে আকবরকে হত্যা করে।
কর্ণফুলী থানার এসআই মনিরুজ্জামান বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
জলদী বন্য প্রাণী অভয়ারণ্যের রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখ বলেন, হাতির আক্রমণে একজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। আমরা বন বিভাগ থেকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।