মঙ্গলবার ( ৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে। এতে ওই মহাসড়কে প্রায় দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে যান চলাচল ব্যাহত হয়, ফলে বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করা যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, শ্রমিকরা সকাল থেকেই তাদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে কারখানার সামনে জড়ো হতে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভের মাত্রা তীব্র হয় এবং শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করে। তাদের দাবি বেতন-ভাতা এবং বিভিন্ন ভাতাদি (টিফিন বিল, নাইট শিফটের অতিরিক্ত পারিশ্রমিক) বাড়ানোর পাশাপাশি ছুটির টাকার হিসাব পরিষ্কার করতে হবে।
.png)
বিক্ষোভরত এক শ্রমিক বলেন, ‘আমরা দিনের পর দিন কম বেতনে কাজ করছি। টিফিন বিল, নাইট শিফটের বাড়তি টাকা কিছুই পাচ্ছি না। আমাদের দাবি মানতে হবে, না হলে আমরা কাজ শুরু করব না।’
এদিকে, মহাসড়ক অবরোধের ফলে ওই এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। অনেক যানবাহনকে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে বাধ্য করা হয়। যাত্রী ও চালকদের মধ্যে চরম অস্বস্তি ভাব দেখা দেয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় শিল্প পুলিশ, এপিবিএন (আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন) এবং বিজিবি সদস্যরা। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর একটি দলও ঘটনাস্থলে যায় পরিস্থিতি সামাল দিতে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের শান্ত করার চেষ্টা করে। তবে দীর্ঘ দুই ঘণ্টা যাবৎ আলোচনা মাধ্যমে কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে।
এ প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত মহাসড়কের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি এবং যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য শ্রমিকদের সঙ্গে পুনরায় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।