রোববার (৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার বংশাল থানার জল্লাবাড়ী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এদিন বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৪, সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার মোহাম্মদ আরিফ হোসেন।
.png)
গ্রেফতারকৃত মো. আবদুল মতিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের আবদুল হক হাওলাদারের ছেলে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার চাঞ্চল্যকর জয়নাল মিয়া হত্যা মামলায় একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ২০১৪ সালের ১৪ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ভাটপাড়া এলাকার আমতলী বাজারে আবদুল মতিন, হুমায়ুন ও অজ্ঞাতনামা ২-৩ জন চুরির উদ্দেশ্যে সেলিম মিয়ার দোকানের ঝাঁপ খুলতে শুরু করেন। বাজারের নিরাপত্তা প্রহরী জয়নাল মিয়া (৫৫) চুরিতে বাধা দিলে মতিন ও তার সহযোগীরা ছুরি দিয়ে জয়নাল মিয়ার গলাকেটে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ভিকটিমের ছেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত ২০১৮ সালের আগস্ট মাসের ১৭ তারিখে মতিনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।
লে. কমান্ডার মোহাম্মদ আরিফ হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃত মতিন হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত একজন আসামি। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ৬ আগস্ট কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিজেকে আত্মগোপন করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৪, সিপিসি-৩ ও র্যাব-১০, সিপিসি-১ এর যৌথ অভিযানে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাকে ঢাকার বংশাল থানার জল্লাবাড়ী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে কোণাবাড়ী গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।