মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে দিকে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের পুটিয়া গ্রামের সোলাইমান (৫৫), রিফাত (২০), সদর থানার ফুলতলা এলাকার জিহাদ (৩৫), সামছুল হক (৫০), মনোহার শেখ মুনা (৫০)। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় অপরজনের পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ।
.png)
ঘটনার শিকার ওই মাদরাসাছাত্র রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং কুষ্টিয়া মাদরাসাতুল আবরার মাদরাসার হাফেজিয়া কওমি ছাত্র।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, ভুক্তভোগী মাদরাসাছাত্র কুমারখালীর নন্দলালপুর ইউনিয়নের আলাউদ্দিন নগর এলাকার দারুল আহাদ আল ইসলামিয়া নুরানি হাফেজিয়া মাদরাসায় পড়াশোনা করে। গত রোববার রাত ১১টার দিকে সে বর্তমান মাদরাসা থেকে পালিয়ে আগের মাদরাসা আলাউদ্দিন নগরে যায়। পরদিন সোমবার ভোররাতে টিনের বেড়া কেটে মাদরসার পাশের সোলাইমানের মুদি দোকানে ঢুকে বিস্কুট, জুস ও খাদ্যসামগ্রী খায়। সেসময় আসামিরা টের পেয়ে ওই মাদরসা ছাত্রকে গাছে বেঁধে মারধর, সিগারেটের আগুনে ছ্যাঁকা এবং মাথার চুল কেটে দেন। এমন নির্মম নির্যাতন চলে সকাল ৯টা পর্যন্ত।
মারধর ও চুলকাটার কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত দোকানদারের ছেলে জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, দোকানে ঢুকে চুরি করেছিল ওই ছাত্র। তাকে হাতে-নাতে ধরে মারধর করা হয়েছিল। স্থানীয় ছেলে-পেলে চুলকেটে দিয়েছিল। এখন চুল কাটাই বড় অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা আসলে ভুল হয়েছে।
খবর পেয়ে ওই ছাত্রের মা তাকে উদ্ধার করে এবং ১৬ সেপ্টেম্বর সোমবার রাত ১২টার পরে ৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলায় রাতেই আসামিদের গ্রেফতার করে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
কুমারখালী থানার ওসি (তদন্ত) সুকল্যাণ বিশ্বাস বলেন, মামলার পর ৬ আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।