সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রংপুর মহানগরীর মেট্রো কোতোয়ালি থানা সংলগ্ন হোটেল তিলোত্তমার হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম, কোটা সংস্কার আন্দোলন ২০১৮, রংপুর বিভাগের সাবেক আহ্বায়ক রায়হান শরীফ, যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন নয়ন।
.png)
সভায় দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে নাগরিক কমিটির করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। সেগুলো হলো- ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হওয়া সামষ্টিক অভিপ্রায় ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্খাকে সমুন্নত রাখা, ছাত্র-জনতার ওপর সংগঠিত নির্মম হত্যাযজ্ঞে জড়িতদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা, রাষ্ট্রের জরুরি সংস্কার ও পূর্ণ গঠন করার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা ও জবাবদিহিতার পরিসর তৈরি করা, বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক রাজনৈতিক উদ্যোগের সঙ্গে আলোচনা মতবিনিময় ও গণমুখী কর্মসূচির মাধ্যমে সর্বস্তরের জনতাকে সংহত করার লক্ষ্যে কাজ করা, দেশের সর্বস্তরের সামাজিক সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বকে সংহত করে গণঅভ্যুত্থানের আশঙ্কা সমুন্নত করে রাখার লক্ষ্যে ফ্যাসিবাদী কাঠামো ও শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ অব্যাহত রাখা, জনস্বার্থের পক্ষে নীতি নির্ধারণের লক্ষ্যে বিভিন্ন শ্রেণির পেশার মানুষ এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের সঙ্গে বিষয়ভিত্তিক সংলাপের আয়োজন করা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ পূর্ণ গঠনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নীতি নির্ধারণী প্রস্তাবনা তৈরি ও সেটা বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং গণপরিষদ গঠন করে গণভোটের মাধ্যমে নতুন গণতান্ত্রিক সংবিধান তৈরির জন্য গণ আলোচনার আয়োজন করা।