আহতরা হলেন আনোয়ার, রাহিম, দ্বীন ইসলাম, শাকিল, ময়না, ইসমাইল, মনির, ইয়াসিন, মনসুর প্রমুখ।
জানা যায়, সদর উপজেলার গজারিয়া গ্রামের আনোয়ারের ছেলে দ্বীন ইসলামের স্ত্রী পারিবারিক কলহের জেরে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে আখাউড়া আমলী আদালতে একটি যৌতুকের মামলা করেন। একই মামলায় শহিদ ভূঁইয়ার ছেলে মনির ও মনসুরকে আসামি করা হয়। মনির আনোয়ারের বোন জামাই হয়েও কেন মামলার বিষয়টি মনিরের কাছে গোপন রাখে তা নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দু’পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে যায়। এতে উভয়পক্ষের ১৫ জন আহত হয়। রাতে আহতদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে দু’পক্ষের লোকজন আবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পরে সদর মডেল থানার পুলিশ এসে হাসপাতালের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন৷
.png)
হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ্ জানান, চিকিৎসা নিতে আসা দু’পক্ষের লোকজন হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ভেতরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পরে পুলিশ এসে পরিবেশ শান্ত করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি মো. মোজাফফর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দু’পক্ষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করেছি। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে৷