বুধবার দুপুরে উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামের একটি পরিত্যাক্ত সেফটিক ট্যাংক থেকে বস্তাবন্দি ও রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে গত রোববার সন্ধ্যার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন আব্দুল জলিল। তিনি উপজেলার উছমানপুর ইউনিয়নরে পাঁচ পাড়া গ্রামের জাহির উল্যার ছেলে।
.png)
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্বর্ণ ক্রয় করতে দেড় লাখ টাকা নিয়ে রোববার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হন আব্দুল জলিল। সন্ধ্যার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিলো না। পরে পরিবারের স্বজনরা থানায় সাধারণ ডায়েরি করলে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার দুপুরে ৫ সন্তানের জনক আব্দুল জলিলের বস্তাবন্দি অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেন।
নিহতের স্ত্রী মাহমুদা বেগম জানান, ভাড়েরা গ্রামের কামরান নামে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে ৩ লাখ টাকায় ৪ ভরি স্বর্ণ ক্রয় করতে শুক্রবার দেড় লাখ টাকা নিয়ে যান তার স্বামী আব্দুল জলিল। পরে রোববার বাড়ি থেকে আরো দেড় লাখ টাকা নিয়ে গেলে আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি আব্দুল জলিলের।
তাজপুর ইউনিয়নরে প্যানেল চেয়ারম্যান কবির আহমদ বলেন, কাদিপুর গ্রামের আবরুছ মিয়ার বাড়ির পরিত্যক্ত সেফটিক ট্যাংক থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় যে বা যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসেদুল হক বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি হত্যাকাণ্ড। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন।