শনিবার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারগুলোতে প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকায়। সে হিসেবে এক কেজি কাঁচা মরিচের দাম এক হাজার টাকা। তবে পাইকারি বাজারগুলোতে কাঁচা মরিচ বেচাকেনা তেমন একটা দেখা যায়নি।
জানা গেছে, বগুড়া, ফরিদপুর, জামালপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে সবজি আসে চট্টগ্রামে। বন্যার কারণে তিন দিন ধরে প্রায় বন্ধ রয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল। ফলে মরিচ না আসায় বাজারে সংকট দেখা দিয়েছে এটির। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
.png)
চকবাজার এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ কম। তবে যে কয়েকটি দোকানে ছিল, প্রতি ১০০ গ্রাম ১০০ টাকায় বিক্রি করেছেন তারা। একই অবস্থা দেখা গেছে নগরের বহদ্দারহাট, কাজীর দেউড়ি ও কর্ণফুলী কমপ্লেক্স বাজারেও।
বহদ্দারহাট বাজারে কথা হয় মোরশেদ আলম নামে এক ক্রেতার সঙ্গে। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার বাজারে কাঁচা মরিচের কেজি ছিল ৩০০ টাকার নিচে। শুক্রবার সেটি হয়ে যায় ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা। আর আজ শনিবার বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকায়। না কিনে চলে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাইকারি বাজার রেয়াজউদ্দিন বাজারের আড়তে এদিন কাঁচা মরিচ ছিল কম। যাদের কাছে ছিল বিক্রি হয়েছে ৫০০ টাকা কেজিতে। দুদিন ধরে মরিচ না আসায় সংকট দেখা দিয়েছে সেখানে।
রেয়াজউদ্দিন বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, গত দুই-তিন দিন কাঁচা মরিচ আসেনি। এ কারণে সংকট দেখা দিয়েছে। এখান বাজারে কাঁচা মরিচ নেই বললেই চলে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের বিভাগীয় উপপরিচালক (চট্টগ্রাম) মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ বলেন, সরবরাহ না থাকলে দাম বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। দাম বৃদ্ধির বিষয়টি আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। আমরা মনিটরিং করে ব্যবস্থা নিচ্ছি।