শনিবার দুপুরে তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে, ওই এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। মুক্তা বেগম ওই এলাকার শাকিল আহমেদের স্ত্রী।
ওই নারীর স্বামী শাকিল আহমেদ বলেন, ‘মুক্তা পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। সে পানিতে আটকা পড়ে ঠাণ্ডায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। কোনো উপায় না দেখে সেনাবাহিনীর নোয়াখালী ক্যাম্পে ফোন দিলে তারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করেন। আমি সেনা সদস্যদের কাছে কৃতজ্ঞ।’
.png)
সেনাবাহিনীর ১৬ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারির সিইও লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশরাফ উদ্দিন বলেন, সোনাপুর রেলস্টেশন এলাকায় পানিবন্দি একটি পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে জরুরি কল পেয়ে নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। সেখান থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে নোয়াখালী সদর হাসপাতালের গাইনি বিভাগে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি ভালো আছেন।
জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বলেন, টানা ভারী বর্ষণ ও ফেনীর মুহুরী নদীর পানিতে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীসহ আট উপজেলা প্লাবিত হয়। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েন অন্তত ২০ লাখ ৩৬ হাজার মানুষ। জেলার ৮২৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নেন প্রায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ। অনেকে পানিবন্দি হয়ে নিজের বসতবাড়িতে আছেন। আমরা সবার মাঝে সরকারি সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।