বৃহস্পতিবার রাতভর সীমাহীন বর্ষণে নতুন নতুন এলাকায় পানি ঢুকে পরিবার-পরিজন, গবাদিপশুসহ আসবাবপত্র ও মালামাল নিয়ে দুর্ভোগে পড়েন আবাসিক এলাকায় বসবাসরতরা।
অতিবৃষ্টির ফলে জেলা সদরের আরামবাগ, মুসলিমপাড়া, উত্তর গঞ্জপাড়া, দক্ষিণ গঞ্জপাড়া, বটতলী, ফুটবিল, স্বনির্ভর, মেহেদী বাগ, খবংপুড়িয়াসহ বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে।
.png)
জানা গেছে, খাগড়াছড়ি জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় পাহাড় ধসের ঘটনাও ঘটছে। বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষদের আশ্রয় নিতে দেখা গেছে। বন্যার্তদের সহায়তায় কাজ করছে রেড ক্রিসেন্টের সদস্যারা। এছাড়া রাজনৈতিক দল ও একাধিক স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে এগিয়ে এসেছে।
এদিকে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে ভারত সীমান্তঘেঁষা জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার ৭ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল। সবচেয়ে বেশি বেলছড়ি ইউনয়নের ২ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি রয়েছে বলে জানান স্থানীয় চেয়ারম্যান রহমত উল্লাহ।
তিনি জানান, অতিবৃষ্টির কারণে ভারতের পাহাড়ি ঢলের পানি বেশি হওয়ায় ফেনী নদী দিয়ে উল্টা (উজানের) দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।
দুপুরের পর বৃষ্টি না থাকলেও এ রিপোর্ট লেখা (বিকেল সাড়ে ৫টা) পর্যন্ত বেলছড়ি এলাকায় পানি বাড়তে দেখা গেছে। এছাড়াও ৬টি ইউনিয়নের সঙ্গে মাটিরাঙ্গার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
অপরদিকে, মাটিরাঙ্গা পৌরসভা এলাকার ধলিয়া খালের উপর নির্মিত মোহাম্মদপুর-বর্জলা কাঠের ভেঙে মোহম্মদপুরসহ ৬টি গ্রামের সঙ্গে সব ধরনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সঙ্গে মোবাইলে একাধিকবার চেষ্টা করে যোগাযোগ করতে না পারায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
জেলা প্রশাসন যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে জানিয়ে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান বলেন, বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও অসহায়দের সহাতায় কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ সহায়তা দুর্যোগ চলাকালীন অব্যাহত থাকবে।