সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় জেলার সঙ্গে রাঙ্গামাটির সাজেক ও লংগদু বাঘাই ছড়ির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। জেলার মাইনি ও কাচালং নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় ডুবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়ক। ফলে সাজেকে আটকা পড়েছে প্রায় আড়াই শতাধিক পর্যটক। বিকেল থেকে কবাখালি, বাঘাইহাট বাজার ও মাচালং বাজারসহ সাজেক সড়কের একাধিক অংশ পাঁচ থেকে ছয় ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়। এতে সড়কটিতে পর্যটকবাহী যানবাহনসহ সব ধরনের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
মহালছড়ি উপজেলার সাথে মুবাছড়ি ইউনিয়নের সিঙ্গিনালা গ্রামের কাপ্তাই পাড়া এলাকায় একমাত্র সড়কের সেতুর সংযোগ সড়কটি ভেঙে গিয়ে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
.png)
মাত্র তিন মাসের কম সময়ের ব্যবধানে টানা বর্ষণে ৪ দফা বন্যা দেখা দেওয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা সদরের মুসলিম পাড়া, আরামবাগ, শান্তিনগর, বাস টার্মিনাল, মেহেদী বাগ, বটতলী, টিটিসি এলাকা, উত্তর ও স্বনির্ভর, কলেজ পাড়া, দক্ষিণ গঞ্জপাড়া, মাটিরাঙার তবলছড়ি, তাইন্দং, পানছড়ির লোগাং নিম্নাঞ্চল, দীঘিনালার মেরং বাজার, কবাখালী ও রামগড় উপজেলার নিন্মাঞ্চল পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে হাজারো পরিবার।
অপর দিকে জেলায় ৯৮টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটছে। ঝুঁকিপূর্ণদের নিরাপদ আশ্রয় নিতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন ।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান জানান, বন্যা দুর্গতদের জন্য খাগড়াছড়ি পৌরসভার জন্য ১২ টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই হাজার ৫৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া ৯টি উপজেলার ৪ শ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে।
জেলায় ৯৮টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়া পানিবন্দি এলাকার মানুষদের জন্য শুকনো খাবার, মোমবাতি, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে।