নিহত নাফিস ভ্যানচালক মো. তারা মাতুব্বরের একমাত্র পুত্র সন্তান ছিলো। এ ঘটনায় পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
গট্টি ইউপি চেয়ারম্যান ও লক্ষ্মণদিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. হাবিবুর রহমান লাবলু বলেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় বিনোকদিয়া বাজার থেকে অটোভ্যানে করে যাত্রী নিয়ে লক্ষ্মণদিয়া মাদরাসার দিকে যাচ্ছিল নাফিস। পথে লক্ষ্মণদিয়া মঙ্গল শেখের বাড়ির সামনে ভ্যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে একটি মান্দার গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে নাফিসের মাথা ফেটে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সে।
.png)
তিনি আরো বলেন, নাসিফের বাবা তারা মাতুব্বরও একজন ভ্যানচালক। নাফিস ছাড়াও বিয়ের যোগ্য তার দুটি মেয়ে রয়েছে। পরিবারে অভাবের কারণে স্কুলের পড়াশোনাও বন্ধ হয়ে যায়। বিধায় বাবার মতো নাফিসও উপার্জনের জন্য ভ্যানচালক হয়ে রাস্তায় নামে। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে শোকে পাথর হয়ে গেছে তার মা-বাবা। স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে পরিবেশ।
সালথা থানার এএসআই সেলিম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে নাফিসের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।